প্রধান মেনু খুলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অনাদিকশূত্র [ পঞ্চম অঙ্ক । আদিশূর। পাগল কি লক্ষ্মী ! ঐ দেখি, আবার তার কোলে কে দেখছিস ? তোর ভাই-আমার ভানু, বিষের জালায় ছটফট করছে। আ-হা-হা ! বাবা আমার! আমার জন্য তোর এ দশা রে! ও-হো-হে ! [ বালকের মত কঁাদিয়া উঠিলেন । ] লক্ষ্মী। চুপ কর বাবা! আর তোমায় কিছু বলবো না, তোমার যা ইচ্ছা করা। [ নেত্রকোণে অশ্রুবিন্দু দেখা গেল, তিনি স্বীয় অঞ্চলে চক্ষু মুছিয়া লইলেন । ] আদিশূর। আমি আর কারও সঙ্গে দেখা করবো না মা ! [কান্সিলেন। ও পুনরায় রক্ত উঠিল। ] ঐ আবার! আবার রক্ত ! দেখ লক্ষ্মী ! এতে কি আর কারো সঙ্গে দেখা করা যায় ? [ পুনরায় কাসিতে লাগিলেন ও রক্তবমন হইতে লাগিল । ] সহসা তক্ষশীল তথায় উপস্থিত হইলেন । তক্ষশীল। আদি ! এ কি ! [ রক্ত দেখিয়া চমকিয়া উঠিলেন। ] আদিশূর। গুরুদেব ! আসুন-আসুন ; দেখুন। রক্ত ; কত রক্ত দেখেছিলেন বৌদ্ধের হত্যায় ? দেখুন, আপনার শিষ্যের কত রক্ত ! কি ঘোর ! কি ভয়ানক ! কেমন ঝলকে ঝলকে ! তক্ষশীল। যাক, এখন একটু সুস্থ হয়েছ তো ? আমি একটা কথা জিজ্ঞাসা করতে এসেছিলাম। আদিশূর। বলুন । তক্ষশীল। পাঁচ জন ব্ৰাহ্মণ তোমাকে আশীৰ্ব্বাদ করবার জন্য সাক্ষাৎ চেয়েছেন, তুমি প্রহরী দিয়ে প্রত্যাখ্যান ক’রে পাঠিয়েছ, এটা কি সত্য ? আদিশূর। হাঁ গুরু! মিথ্যা নয়। তক্ষশীল। ভাল করা নাই, আমি প্রহরীকে ফিরিয়েছি, তঁদের >>Ve )