প্রধান মেনু খুলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


“আদিশূত্র [ প্ৰথম অঙ্ক। কাত্যায়নী। তোমার মতিচ্ছায় ! এখন কীৰ্ত্তণ গেল কোথায় বল ? বল্লভ। চুলোয়! তোমায় কীৰ্ত্তণ খঞ্জনি বাজিয়ে নগর-কীৰ্ত্তণ করতে গেল দেখগে-সুখে খেতে বেটার ভূতে ধরলো। কাত্যায়নী। [সভয়ে বলিল ] এটা-ওমা! ভূতে ধরলো কি ? বল্লভ। হঁয়, বুঝতে পারনি ? তার ঘাড়ে বুদ্ধদেব চেপেছে; সে সেই হা-ঘরেদের দল পুরু করতে গেছে। * কাত্যায়নী । [ ভক্তি-গদগদকণ্ঠে বালিল]] আ-হা-হা, বাছার আমার এতটুকু বেলা থেকে ধৰ্ম্মে মতি! বল্লভ। আহাঁ-হাঁ, তুমিও যে ভাবে গদগদ হ’য়ে উঠলে দেখছি,- তোমারও প্ৰেম এলো না কি ? এই মরেছে ! তোমার ছেলে ধৰ্ম্মের ফিরি কম্বতে যায়নি গিল্পি! যে জন্য গেছে, আমি বুঝেছি। কাত্যায়নী। কি বুঝেছ ? বল্লভ। ঐ বেটাদের দলে বেজায় মেয়ে মানুষের ভিড় দেখে । কাত্যায়নী । তুমি ছাই বুঝেছি ; ছিঃ ! বল্লভ। সংসারটায় বুঝে বুঝে আমি চুল পাকিয়ে ফেলুম গিলি ! আমার কাছে উড়ে যাওয়া শক্ত । কাত্যায়নী। তা-আজ পৰ্যন্ত তুমিও কোন ছেলের বিয়েই দিলে ? বল্লভ। আরে, কি ক’রে দিই বল ? তোমার ছেলে যা সোনার কাৰ্ত্তিক, দেশের কুমারীরা শিবপূজা সাঙ্গ ক’রে, একেবারে আটখানা হয়ে, বল্পমালা তুলে রাস্তায় দাড়িয়ে আছে আর কি! বহু কষ্ট একটী সম্বন্ধ যোগাড় করলুম, খরচ পত্তর সব হয়ে গেল, বিয়ের দিন শুনলুম মেয়োটী জলে ডুবে ময়েছে। আমিও জীয়ন্তে মালুম! কি করি, ভাঙ্গা কোমর সোজা করে আবার ছাতা লাঠি নিয়ে বেরুলুম; কাজও ফলালুম-পাজ » R ]