পাতা:আদিশূর ও বল্লালসেন.pdf/৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আদিশূর ও বল্লালসেন ৪৯ সেনবংশীয় ভূপালদিগের ক্ষত্ৰিয়ত্ব প্রতিপাদনার্থ, স্ক্রযুক্ত রায় রাজেন্দ্র লাল মিত্র বাহাদুর যে সকল প্রমাণ প্রদর্শন করিয়াছেন, একৈ একে তৎসমুদায়ের যথাসাধ্য সমালোচনা করিয়াছি। ঐ সকল প্রমাণবলে আদিশূর এবং সেনবংশীয়দিগের ক্ষত্ৰিয়ত্ব কতদূর সংস্থাপন হইতে পারে, সহজেই উপলব্ধি হইবে। পক্ষান্তরে আদিশূর ও সেনবীয় ভূপতিগণ যে বৈদ্য জাতি হইতে উৎপন্ন, এবং ক্ষত্রিয় নহেন, তাহার বিশেষ প্রমাণ বিদ্যমান আছে । এই সকল প্রমাণ ক্রমে উল্লেখ করা যাইতেছে ; ১ম। কুলপঞ্জিকা লেখকগণ একবাক্যে সেনবংশীয় নৃপতিদিগকে বৈদ্য অথবা অম্বষ্ঠ জাতি নির্দেশ করিয়া গিয়াছেন। কুলপঞ্জিক হইতে ইতঃপূর্বে যে সকল প্রমাণ উদ্ধৃত করা হইয়াছে, তাহাতেই কুলাচাৰ্য্যগণের মত পরিজ্ঞাত হইবে। অতএব ঐ সকল প্রমাণের পুনরুল্লেখ নিম্প্রয়োজন । এক্ষণে দেখিতে হইবে, কুলপঞ্জিকা-লেখক দিগের মত প্রামাণ্য কিনা ? এ প্রশ্নের বিচার সময়ে কেহ আপত্তি করিতে পারেন যে, কুলপঞ্জিকা সকল আধুনিক গ্রন্থ, এবং সেনবংশীয় নৃপতিদিগের রাজত্ব অবসানে তাহাদিগের সকল প্রকার চিহ্ন এবং ইতিহাসের বিলোপ হেতু, গ্রন্থকারগণ সেনবংশীয়দিগের জাতি নিশ্চয় করিতে পারেন নাই; অনুমান দ্বারা, অথবা তৎকালের সাধারণ ভ্ৰযে পতিত হইয়া, অম্বষ্ঠ জাতি লিখিয়াছেন ; অতএব কুলপঞ্জিকার মত প্রমাণ্য নহে। এবম্বিধ তর্কের মূল কিছুই নাই, কুলপঞ্জিকা মান্ত্ৰেই আধুনিক