পাতা:আদিশূর ও বল্লালসেন.pdf/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


s৬ আদিশূর ও বল্লালসেন। শাসন হইতে একবারে মুক্তিলাভ করিতে পারেন নাই। কিন্তু এক্ষণে কুলাকুলের বিচার বিশেষ না থাকিলেও প্রতি ব্যক্তির বিবাহের সম্বন্ধ স্থির করিবার পূৰ্ব্বে বর ও কন্যাপক্ষ পরস্পরের বংশ মর্যাদার অনুসন্ধান লইয়া থাকেন। অতএব বল্লালের সময়াবধি অদ্য পর্যন্ত প্রতি বিবাহে, প্রতি পুত্রের ও প্রতি কন্যার বিবাহে, আত্মীয়ের প্রতি পুত্র ও কন্যার বিবাহে, কুল লইয়া আন্দোলন হইয়া আসিতেছে। সুতরাং অধিকাংশ বিবাহিত কি অবিবাহিত ব্যক্তির জীবনে চারি পাঁচবার কৌলীন্য মৰ্যাদার বিষয় আলোচনা করিতে হইয়াছে এবং হইতেছে। এবং সেই সঙ্গে বল্লালের জাতি তাহাদিগের মনে পড়িয়া আদিতেছে । এই প্রকার বল্লালের সময়বিধি বঙ্গবাসী এক কোটা হিন্দুর সমস্ত জীবনে দ্বাদশ কোটাবার আলোচনা করিয়া যে বিষয় একবাক্যে পুরুষানুক্রমে বলিয়া আসিতেছে, তদ্বিষয়ে কাহারও সন্দেহ করা সঙ্গত হইতে পারে না। দ্বাদশ কোটা লোকের সাক্ষ্য, অনুমান ও সামান্য প্রমাণে খণ্ডিত হইতে পারে না। । ৫ম। বল্লাল পদ্মিনী নামে নিচজাতীয়া এক রমণীর পাণিগ্রহণ করিয়াছিলেন, তন্নিমিত্ত বৈদ্যগণ তাহার সহিত আহার ও সামাজিকতা পরিত্যাগ করেন। কিন্তু কেহ কেহ রাজার প্রসাদ লালসায়, এবং কেহ কেহ, অর্থলোভে র্তাহার সহিত, পান ভোজনাদি করিয়াছিলেন, এবং তজ্জন্য সমাজের অন্যান্য বৈদ্যগণ তাহাদিগের সহিত আহার ব্যবহার পরিত্যাগ করেন। কালক্রমে এইসকল বৈদ্য বংশীয়েরা কুলীন শ্রেণী