পাতা:আদিশূর ও বল্লালসেন.pdf/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আদিশূর ও বল্লালসেন। מלא জাতির স্পষ্টাক্ষরে উল্লেখ করেন নাই কেন ? পূৰ্ব্বকালে মামের সহিত জাতিবাচক শব্দ ব্যবহার প্রথা সাধারণতঃ প্রচার ছিল না। প্রাচীন কবি অথবা রাজাদিগের নামের শেষে জাতির উল্লেখ প্রাপ্ত হওয়া যায় না। কালিদাস, ভবভূতি, ভট্টনারায়ণ, দশরথ দুৰ্য্যোধন, যুধিষ্ঠির, চন্দ্রগুপ্ত, পৃথুরায়, জয়চন্দ্র প্রভৃতি নামের শেষে জাতিবাচক কোন শব্দ নাই। ভারতবর্ষের নানা স্থানে যে সকল তাম্রশাসন, পাওয়া গিয়াছে, তন্মধ্যে কতিপয় ভিন্ন, অধিকাংশেই নামের শেষে জাতিবাচক শব্দের উল্লেখ প্রাপ্ত হওয়া যায় না । এক্ষণেও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে, বঙ্গ দেশের ন্যায় প্রতি নামের শেষে, শৰ্ম্মণ, গুপ্ত,দাস প্রভৃতি শব্দ যোজনা, প্রচলিত নাই। অতএব উল্লিখিত কুারণ বশতঃ প্রস্তরফলকে ও তামশাসনে সেনবংশীয় নৃপতিগণের নামের শেষে জাতিবাচক উপাধি ব্যবহার করা হয় নাই । পক্ষান্তরে ইহও অনুমান করা যাইতে পারে যে, সেনংশীয় নৃপতিগণের অম্বষ্ঠ জাতি হেতু, তাহার তদানিন্তন ক্ষত্রিয় নৃপতিদিগের তুল্য সমাদৃত হইতে পারিতেন না। এজন্য তাহারাও ক্ষত্রিয় বলিয়া লোক সমাজে প্রকাশিত হওয়ার চেষ্টা করিতেন # । কবিগণ তাহাদিগের এই অভিলাষ সিদ্ধির নিমিত্ত দ্ব্যর্থ শব্দের প্রয়োগ দ্বারা এরূপ ভাবে বংশ বর্ণনাদি করিতেন যে, ক্ষত্রিয় না হইলেও ভঙ্গিতে তাহাদিগের

  • এক্ষণে বঙ্গদেশের কায়ত্বগণ ক্ষত্রিয় হওয়ায় বিশেষ চেষ্টা করিতেছেন।