পাতা:আমার কথা (নটী বিনোদিনী) প্রথম খণ্ড.djvu/২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কর্ণান্ধিকার অংশ গ্রহণ করিয়াছি ; সমস্ত বণিতে গেলে । জনেক কথা, প্রবন্ধ দীর্ঘ হয়, কেবল মনোরমার কথাই বলিব। মনোরমার কথা বলিতেছি, তাহার কারণ, আমি প্রতি অভিনয়েই সাহিত্যসম্রাট, বঙ্কিমধাৰুবর্ণিত সেই বালিকা ও গম্ভীরা মূৰ্ত্তি প্রত্যক্ষ দেখিয়াছি । এই শিক্ষাদাত্ৰী তেজস্বিনী সহধৰ্ম্মিণী আবার পৰ্ব্বক্ষপেই "পশুপতি, তুমি কাছ কেন ?" বলিয়াই প্রেম-বিহ্বল বাঞ্জিকা । হেমচন্দ্রের সহিত কথোপকথন করিতে করিঙে এই স্নেহশীল ভগ্নী, ভ্রাতার মনোবেদনায় সহানুভূতি করিতেছে, আর পরক্ষণেই “পুকুরে হাস দেখিতে যাওয়া” অসাধারণ অভিনয়চাতুৰ্য্যে প্রদর্শিত হইত। বেঙ্গল থিয়েটারে মাসিয়া বঙ্কিম বাৰু কি বলিয়ছিলেন, তাহা অামি জানি না, কিন্তু ধিনি মনোরমার অভিনয় দেখিতেন, তাহাকেই স্বলিতে হইয়াছে যে, এ প্রকৃত ‘মুণালিনীর’ BBBBS BBBBBB gggS BB BBBB BB BBB BBBS ছিল, বুঝি কোন বা লক্ষ অভিনয় করিতেছে । অভিনয় কৌশলে বিনোদিনীর এই উভষ ভালের পরিবর্তন, উচ্চশ্রেণীর অভিনেত্রীর ৫ উচ্চ প্রশংসা । বিনোদিনী একবাকো দর্শকের নিকট সেই উচ্চ প্রশংসা লাভ করিয়াছিল। বিনাদিনীর গঠন ও অভিনেত্রীর সকল ভূমিকা গ্রহণেরই উপযুক্ত-যুবক যুবতী, বালক বালিকা, রাজরাণী হইতে ফতী পর্যাঞ্জ সকল ভূমিকার উপযুক্ত। বঙ্গরঙ্গভূমির যদি সমাজের চক্ষে অন্তরূপ অবস্থা হইত, তাহা হইলে বিনোদিনীর অভিনয়-জীবনের আত্মবর্ণনা অনাদৃত হইবার সম্ভাবনা থাকিস্ত না । কিন্তু এ কথা বলিতে সাহস করা যায়, যদি বঙ্গরঙ্গালয় স্থায়ী হয়, বিনোদিনীর এই ক্ষুদ্র জীবনী আগ্রন্থের সহিত অন্বেতি ও পঠিত হইবে।