পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


जां मां ब्र दां लT क थi ف(س তখনকার কালে অক্ষয়কুমার দত্ত আর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এরা বঙ্গভাষার দুই স্তম্ভ ছিলেন। যখন তঁরা সেই ভাষা গড়ে তুললেন তা সংস্কৃতবহুল হয়ে দাঁড়াল। বিদ্যাসাগর মহাশয় ও অক্ষয়বাবু “উভয়েই সংস্কৃত ভাষাভিজ্ঞ ও সংস্কৃত ভাষানুরাগী ছিলেন, সুতরাং তঁরা বাঙলাকে যে পরিচ্ছদ পর্যালেন তা সংস্কৃতের অলঙ্কারে পরিপূর্ণ হল। অক্ষয়বাবুর লেখার আর এক নমুনা আরম্ভে দিয়েছি, আর একটি নমুনা এখানে দিচ্ছি, তা হতেই এ কথার যাথার্থ্য সপ্ৰমাণ হবে । সুৰ্যোদয়ের বর্ণনা “অনন্তর বিশ্বালোচন। তিমিরামোচন তরুণ বিভাকর, জবাকুসুমসদৃশী আশ্চর্যময়ী মহীয়সী মূর্তি ধারণপূর্বক, পূর্বদিকস্থিত সুরাগ-রঞ্জিত প্রবাল-মণ্ডিত সুরম্য প্ৰাসাদ হইতে ক্ৰমে ক্ৰমে বহির্গত হইতেছে এবং স্বকীয় সুবৰ্ণময় রশ্মিজাল বিকীর্ণপূর্বক, নবপল্লব-পরিবেষ্টিত সমুন্নত তরুশিখা সকল অতি মনোহর হিরন্ময় মুকুট ভূষিত করিতেছে এই আশ্চৰ্য দর্শন দর্শন করিয়া ইত্যাদি ।” “১৮৪৩ হইতে ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত অক্ষয়বাবু সুদক্ষতাসহকারে তত্ত্ববোধিনীর সম্পাদন কার্ষে নিযুক্ত ছিলেন, ইতিমধ্যে অর্থে পার্জনের কত উপায় তার হস্তের নিকট এসেছে, তিনি তাহার প্রতি দৃকপাতও করেন নাই। এই কাৰ্যে তিনি এমনি নিমগ্ন ছিলেন যে, এক একদিন জ্ঞানালোচনাতে ও তত্ত্ববোধিনীর প্রবন্ধ লিখতে সমস্ত রাত্রি অতিবাহিত হইয়া যাইত, তিনি তাহ অনুভব করিতে পারিতেন না।” “অক্ষয়বাবু আমাদের ব্ৰাহ্মমাজের জ্ঞানমার্গের প্রহরীরূপে দণ্ডায়মান ছিলেন। তঁহারি প্রভাবে ব্ৰাহ্মধর্ম অগ্ৰে বেদান্তধর্ম ছিল । ব্ৰাহ্মগণ বেদের অভ্রান্ততায় বিশ্বাস করতেন। অক্ষয়কুমার দত্ত মহাশয় এই উভয়ের প্রতিবাদ করিয়া বিচার উপস্থিত করেন। প্ৰধানতঃ র্তাহারি প্ররোচনাতে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর উক্ত উভয় DBBB DuuDuD DDDS S uHzBBBO BBBD DDD S BDDDBB DDD