পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कां मां ब्र बां ज] क थों 99 অনুসন্ধান ও চিন্তার পর অক্ষয়বাবুর অবলম্বিত মত যুক্তিসিদ্ধ জানিয়া বেদান্তবাদ ও বেদের অভ্ৰান্ততাবাদ পরিত্যাগ করিলেন।’ ইিঞ্জ বেদোপনিষদ ব্ৰাহ্মধর্মের প্রতিষ্ঠাভূমি হয় মহৰ্ষির ঐকান্তিক ইচ্ছা! ছিল, তঁহাকে বেদান্তধর্ম ও বেদের অভ্ৰান্তত হইতে বিচলিত করিতে অক্ষয়বাবুকে বহুপ্ৰয়াস পাইতে হইয়াছিল। পিতার আত্মচরিতে এই বিষয়ে তঁর মনোগত ভাব ব্যক্ত হইয়াছে। তিনি বলিতেছেন“প্ৰথমে বেদ ধরিলাম, সেখানে ব্ৰাহ্মধর্মের ভিত্তি স্থাপন করিতে পারিলাম না। তাহার পরে প্রামাণ্য একাদশ উপনিষদ ধরিলাম, কি দুৰ্ভাগ্য ! সেখানেও ভিত্তি স্থাপন করিতে পারিতেছি না। তবে এখন আমাদের কি করিতে হইবে ? আমাদের উপায় কি ? ব্ৰাহ্মধ্যমকে এখন কোথায় আশ্রয় দিব ? বেদে তাহার পত্তনভূমি হইল না— উপনিষদেও তাহার পত্তনভূমি হইল না। কোথায় তাহার পত্তন দিব ? দেখিলাম যে আত্মপ্ৰত্যয়-সিদ্ধ জ্ঞানো জ্বলিত বিশুদ্ধ হৃদয়েই পত্তন ভূমি।” * * * “উপনিষদ হইতেই প্ৰথমে আমার হৃদয়ে আধ্যাত্মিক ভাবের প্রতিধ্বনি পাইয়াই আমি সমগ্ৰ বেদ এবং সমস্ত উপনিষদকে ব্ৰাহ্মধমের প্রতিষ্ঠা করিতে যত্ন পাইয়াছিলাম ; কিন্তু তাহা করিতে পারিলাম না ইহাতেই আমার দুঃখ । কিন্তু এ দুঃখ কোন কার্যের নহে, যেহেতু সমস্ত খনিতে কিছু স্বর্ণ হয় না। খনির অসার প্রস্তরখণ্ড সকল চূৰ্ণ করিয়াই তাহা হইতে স্বর্ণ নিৰ্গত করিয়া क्लईड इश অক্ষয়বাবুর শেষ জীবনের কথা শাস্ত্রীমশায়ের বই থেকে এইখানে বলে এ ভাগ শেষ করি।-- “ইহার পরেও অক্ষয়বাবু কয়েক বৎসর কার্যক্ষেত্রে দণ্ডায়মান ছিলেন। মধ্যে নর্মাল বিদ্যালয় স্থাপিত হইলে কিছুদিনের জন্য তাহার শিক্ষকতা করিয়াছিলেন বটে, কিন্তু প্রিয় তত্ত্ববোধিনীর সংস্রব একেবারে পরিত্যাগ করেন নাই। অবশেষে ১৮৫৬ সালের আষাঢ় 举 ब्राशङश् नश्ौि-•७िङ ब्धांक्षेौ ४ीठ ।