পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


wat af 3 f , T Q অনবরত বৃষ্টি ও বাতাসের কোলাহল। পলতায় আসিতে রাত্রি ৮টা হইল। পলতায় পৌঁছিতেই লোক আসিয়া সংবাদ দিল, এখানে গাড়ী প্ৰস্তুত । এই কথা শুনিয়া আমার শরীরে প্রাণ আসিল । এখানে আসিয়া বোট কাৎ হইয়া পড়িল। দিন দশটা হইতে সন্ধ্যা পৰ্যন্ত ক্ৰমাগত বৃষ্টি পাড়য়াছে। সমস্ত নৌকার খোল জলে পুরিয়া গিয়া তাহার উপরে এক হাত জল দাড়াইয়াছে, সকলি বৃষ্টির জল । যদি পলতায় গাড়ী না থাকিত তবে পথে জলভারে বোট নিশ্চয়ই ডুবিত ; একথা আর কাহাকেও বলিতে পারিতাম না। বোট হইতে নামিয়া গাড়ীতে চড়িলাম। রাস্ত জলময়-সেই জলের ভিতর গাড়ির চাকা অর্ধেক মগ্ন। অতিকষ্টে বাড়ী পৌছিলাম তখন রাত্রি দ্বিপ্রহর। সকলেই নিদ্রিত, কাহারও সাড়া শব্দ নাই। বাড়ীর ভিতর স্ত্রীপুত্ৰদিগকে প্রেরণ করিয়া আমি বৈঠকখানার তোর্তলায় উঠিলাম। সেখানে আমার জ্যেষ্ঠতাত পুত্ৰ ব্ৰজবাবু আমাকে অভ্যর্থনা করিলেন ।” দ্বারকনাথ ঠাকুর দুবার ইউরোপ যাত্ৰা করিয়াছিলেন, দ্বিতীয় বারে লণ্ডন নগরে ১৭৭৮ শকে ( আগষ্ট ১৮৪৬) তাঁর মৃত্যু হয়। তঁর বয়ঃক্ৰম ৫১ বৎসর। তঁর কনিষ্ঠ পুত্র নগেন্দ্রনাথ ও অপর একজন আত্মীয় নবীনচন্দ্ৰ মুখোপাধ্যায় তাঁর মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত ft:(ỡis | &#85 38(44 (2ịiỳ<\ổ Kensal Green Rio গোরস্থানে তঁর সমাধি হয় । আমি প্ৰথম যখন সেই সমাধি মন্দির দেখি তখন তার নিতান্ত ভগ্নাবস্থা, পরে তার জীৰ্ণসংস্কার হয়েছে । বঙ্গের শীর্ষস্থানীয় দুই মহাত্মা র্যারা ঐ সুদূর পশ্চিমে দেহত্যাগ করেছেন, তাদের স্মৃতিচিহ্ন যাতে বিলুপ্ত না হয়, সে বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি রাখা কর্তব্য, একথা বলা বাহুল্য। দ্বারকানাথ ঠাকুর বিলাত যাবার সময় তঁর অগাধ জমিদারী বিষয় সম্পত্তি সংরক্ষণের যে ব্যবস্থা করে যান তা তার মনের মতন হয়নি। যে সকল কর্মচারীর উপর রক্ষণাবেক্ষণের ভার ছিল তঁদের কাৰ্যে