পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


à • खा मा ब्र द अ] क ९ তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না। কর্তা নিজে তত্ত্বাবধান না করলে “যে রক্ষক সেই ভক্ষক হয়।” এ এক প্ৰকার ধরা কথা । আমার পিতা যদি তেমন মনোযোগ করে বিষয় কর্ম দেখতেন তাহলে কোন ভাবনা ছিল না । কিন্তু তঁর মন ছিল অন্য দিকে, নিতান্ত দায়ে পড়ে যতটুকু করতে হত তাই করতেন। কত দাদা তাকে লণ্ডন থেকে এই বিষয়ে এক পত্র লিখেছিলেন তার এই উদ্ধৃতাংশ থেকে দাদামশায়ের মনোভাব কতকটা জানা যায় :- “আমার সকল বিষয় সম্পত্তি নষ্ট হইয়া যায় নাই ইহাই আমার আশ্চর্য বোধ হয় । তুমি পাদ্রিদের সহিত বাদ প্ৰতিবাদ করিতে ও সংবাদপত্রে লিখিতেই ব্যস্ত, গুরুতর বিষয় রক্ষা ও পরিদর্শন কাৰ্যে তুমি স্বয়ং যথোচিত মনোনিবেশ না করিয়া তাহা তোমার প্ৰিয়পাত্ৰ আমলাদের হস্তে ফেলিয়া রাখা। ভারতবর্ষের উত্তাপ ও আবহাওয়া সহ্য করিবার আমার শক্তি নাই, যদি থাকিত আমি অবিলম্বে লণ্ডন পরিত্যাগ করিয়া তাহা নিজে পর্যবেক্ষণ করিতে যাইতাম ।’’ আমি ১৮৬২ খৃষ্টাব্দে ইংলণ্ডের Sussex জেলার অন্তৰ্গত সমুদ্রের উপকূল Worthing নামক বন্দরে গিয়া কিছুদিন বাস করি। উহা আমার নিকট এক প্রকার তীর্থস্থানের ন্যায় মনে হয়েছিল, কেননা ঐখানে আমার পিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুর তঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্বে একমাস কাল যাপন করেন। ১৮৪৬ খৃষ্টাব্দের মাৰ্চ মাসে তিনি এক উৎকট পীড়ায় আক্রান্ত হন, এ অবস্থায় তঁর চিকিৎসক মার্টিনের পরামর্শে রোগ শান্তির জন্যে এই বন্দরে গিয়ে অবস্থিতি করেন । তিনি যে হোটেলে গিয়ে উঠেছিলেন আমি সেই হোটেলের মালিকের সঙ্গে দেখা করি ; সাহেবটির নিকট হতে দাদামশায়ের অনেক খবর শুনতে পাই । তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এই :- দ্বারকানাথ ঠাকুরের সর্বশুদ্ধ ১৭ জন অনুচর ছিল, তার মধ্যে দুইজন এদেশীয় ভৃত্য। তা ছাড়া একজন সেক্রেটারি, একজন Interpreter, , সঙ্গীত-ওস্তাদ জার্মান একজন, চিকিৎসক