পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अf भां । दां ज1 क शों SR6t ভিতরে তার যে অসার টলমল অবস্থা তা বুঝতে না পেরে তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন। শেষে সেই হাউস ফেল হওয়াতে তিনি অশেষ ঋণভারে আক্রান্ত হয়ে পড়লেন। তিনি ও তঁর মধ্যম ভ্ৰাতা গিরীন্দ্ৰনাথ উভয়েই স্বভাবত ব্যয়শীল ছিলেন। এই বিষয় পিতার জীবনীতে এইরূপ বৰ্ণিত আছে ' দিনে, এই দশ বৎসরে আমাদের ঋণ অনেক পরিশোধ । হইয়া গিয়াছে। পিতৃঋণের মহাভার আমার অনেক কমিয়াছে। কিন্তু আমার আর এক প্রকার নূতন বিপদভার, ঋণভার আমাকে জড়াইতে লাগিল। গিরীন্দ্ৰনাথ যখন জীবিত ছিলেন তখন তিনি র্তাহার নিজের খরচের জন্য অনেক ঋণ করিয়াছিলেন । আমি র্তাহার কতক ঋণ পিতৃঋণের সঙ্গে পরিশোধ করিয়াছিলাম। এখন SBDBDD DDD DDD D S DBB DY DBBB BKO BBL আরম্ভ করিলেন। কেবল নিজের ব্যয়ের জন্য নয়, এমন কি, ১০০০০ দশ হাজার টাকা ঋণ করিয়া তিনি আর একজনের আনুকুল্য করিতেন-তিনি এমনি পরদুঃখে দুঃখী ও দয়ালু ছিলেন। তঁহার বিদ্যান্যতা, তাহার প্ৰিয় ব্যবহার লোকের মনকে অতিমাত্র আকর্ষণ করিয়াছিল।’’ ( ত্রিংশ পরিচ্ছেদ ) তিনি উল্লিখিত নানা কারণে বিলাত থেকে ফিরে এসে অবধি একটা উচ্চ পদের সরকারী চাকরীর সন্ধানে ফিরছিলেন। যে সকল বড় বড় সাহেব তঁর পিতার বন্ধু ছিলেন তাদের সাহায্য প্রার্থনা করে পত্র লেখেন ; অনেক সাধ্য সাধনার পর তিনি ৬ই মার্চ ১৮৫৪ সালে কষ্টমাস কলেক্টরের সহকারীরূপে নিযুক্ত হন। কিন্তু সে পদ তাকে অধিক দিন ভোগ করতে হয় নাই। ১৮৫৬ সালে জুন মাসে তিনি ইস্তফা পত্র দিয়ে তঁর কালেক্টর Young সাহেবকে লিখছেন “আজ আমার অবকাশের দিন সমাপ্ত হইল। দুঃখের সহিত "নিবেদন করিতেছি, গত তিন মাস ধরিয়া আমার বিষয় কর্মের ঝঙ্কাট মিটাইবার সাধ্যমত চেষ্টা করিয়া তাহাতে যদিও অনেকটা কৃতকাৰ্য