পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


四叶对研 引町邓 小 ଧ୍ବକ মন্দির, প্ৰস্তর নির্মিত, নানা মূৰ্তি খোদিত, ইহার কারুকাৰ্য বাস্তবিক সুন্দর ও প্ৰশংসনীয়। আমার ভ্রমণকালে আমার দেশীয় লোকেরা: আমাকে যে আদর যত্ন করিয়াছে তাহা কখনও ভুলিব না।” (To Jadub Kissen Singh) আগ্ৰা ৫ই জানুয়ারী ১৮৫৭ ‘ইন্দোর হইতে যখন তোমাকে পত্র লিখি তখন স্বপ্নেও ভাবি নাই যে আগ্ৰায় আসিয়া আমি এরূপ রোগাক্ৰান্ত হইয়া পড়িব । আসল কথা হচ্ছে, এ সকল স্থানে ব্যাড়াইবার আরাম নাই, রাস্তা ঘাট দুৰ্গম, গাড়ীর ঝাকানি, আবহাওয়াও পীড়াদায়ক। এই শরীর লইয়া কোন রকমে যে আগ্ৰায় পৌঁছিয়াছি, হাত পা ভাঙ্গিয়া যায় নাই, এই আশ্চর্য ! সাত দিন সর্দি কাশীতে শয্যাগত ছিলাম-গলার আওয়াজ বন্ধ, অস্ত্ৰ করিতে হইল। একটু ভাল হইয়াছি, কল্যই কলিকাতার অভিমুখে রওয়ান হইব। আগ্ৰায় আসিয়া তাজ দেখিয়াছি-আমার যে এতটা পথের কষ্ট-এত অর্থব্যয় এই তাজ দর্শনে তাহা সার্থক বোধ হইতেছে।” ১৮৫৪ সালে ছোটকাকার বিবাহ হয় । যখন তিনি “তান্ধী শ্যামা, শিখরিদশনা” যশোহরের একটি বালিকার পাণিগ্রহণ করেন তখন আমার বয়ঃক্রম ১২ বৎসর-ঘটনাটি আমার বেশ মনে পড়ে। বিবাহের পর তাহার বৈলাতিক বন্ধুরা তঁহাকে পত্র দ্বারা অভিনন্দন 3(3 Duke of Inverness fift(\5(go-'vaifs &tice তোমাকে অতি বালক দেখিয়াছিলাম-ইহার মধ্যে তোমাকে বিবাহিত বলিয়া কিছুতেই মনে করিতে পারি না । তুমি যে আমাদের দৃষ্টান্তে এক পত্নী লইয়াই সংসার করিবার মানস করিয়াছ, ইহা বড়ই আহ্নলাদের বিষয়, কেননা বহু বিবাহে গৃহ অশান্তির আলয় হইয়া উঠে, নিদান আমার তাই বিশ্বাস।” বিবাহের অল্পকাল মধ্যে তিনি সরকারী চাকরী গ্ৰহণ করেন ও কি কারণে পদত্যাগ করলেন তাহা পুর্বেই বলা হয়েছে। কর্মে ইস্তফা