পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ve कां भां व्र वां ल क श्रृं। ट्रेक्षऊवांगा', 'दिब्रुउिदां” (evolution), 'cदांक्षप्भद्र घाऊপ্ৰতিঘাত” ইত্যাদি-এদের কতক ছোট ছোট পুস্তিকাকারে প্ৰকাশিত হয়েছে, কতক বা সাময়িক পত্রে ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত রয়েছে। উহাদের মধ্যে কোন কোন প্ৰবন্ধ অসম্পূর্ণ-হয়ত কোন একটা বিষয়ের অবতারণা করে তার আদ্যোপান্ত লিখে শেষ করা হয়নি, কোনটা অৰ্দ্ধাঙ্গ, কোনটা বিকলাঙ্গ, ভগ্নাবস্থায় আমনি পড়ে আছেএ সকল ভাল করে দেখে শুনে গড়েপিঠে নেওয়া আবশ্যক। দার্শনিক ছাড়া সামাজিক প্ৰবন্ধও অনেক এদিক ওদিক ছড়িযে আছে, যেমন সোনার কাটি রূপোর কাটি, আর্যামি ও সাহেবিয়ানা, একটি প্রশ্ন ও উত্তর ইত্যাদি অনেকগুলি সারগর্ভ ও সুপাঠা । বড়দার এই লেখাগুলি উদ্ধার হয় আমার অনেকদিনকার সাধ-কিন্তু মনের ইচ্ছা! মনেতেই রইল-ত পূর্ণ হবার কোন পন্থা দেখছিনে। আসল কথা হচ্ছে-এ ভার নেয় কে ? দুটি লোক আমার মনে হচ্ছে-ৰ্তার সুযোগ্য পুত্ৰ ধীমান সুধীন্দ্রনাথ এবং পৌত্র শ্ৰীমান দিনেন্দ্রনাথ, এরাই এই ভারগ্রহণের অধিকারী এবং উপযুক্ত-পাত্র। উভযেই সাহিত্যসেবী ও সাহিত্যজগতে স্বনামখ্যাত?--উভযেরই সময় আছে, সামর্থ্য আছে, এই কাৰ্যে যা যা চাই সকলি আছে-এর বড়দাদার লেখাগুলির সম্পাদকীয় ভারগ্রহণ করুন। এই আমার একান্ত অনুরোধ। এ অনুরোধ কি ইহার রক্ষা করবেন না ? সাহিত্য ভাণ্ডারের এই বহুমূল্য রত্নগুলি প্ৰলয় সাগরে ডুবিতে দেওযা কি লজ্জার কথা काgङ् ? পদ্যই বল, গদ্যই বল, বড়দাদার লেখার যে একটি মাধুৰ্য, প্ৰসাদগুণ, একটি বিশেষত্ব, একটি মৌলিকতা আছে তা তার নিজস্ব সম্পত্তি, অন্য কোথাও দেখা যায় না। দুরূহ দার্শনিক তত্ত্ব সকল অতি সহজ ভাষায় জলের ন্যায় প্ৰাঞ্জলভাবে লিখে যাওয়া তেঁার এক আশ্চৰ্য ক্ষমতা । তঁর লেখাসকল যে পৰ্যন্ত নিরক্ষার সামান্য লোকেরও বোধগম্য না হয় সে পৰ্যন্ত তিনি সন্তুষ্ট থাকেন না। তাই