পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


जां मां न दां ल। क थ! 8 ዓ কখন কখন আমরা দেখতে পেতুম তার বড় বড় লেখা যার কিছুমাত্র অক্ষরজ্ঞান নেই এমন লোককে ডেকে শোনাতে তিনি উৎসুকতাদের না শুনিয়ে তৃপ্ত হতেন না। যদিও তারা শোনবামাত্র ভাবগ্ৰহণ করতে পারত কি না বলা শক্ত । এই সম্বন্ধে একটি মজার গল্প আছে। আমাদের একটি পুরাণে দাসী ( শিশুকালে যে আমাকে মানুষ করেছিল ), আমরা সকলে তাকে “কাল দাই’ বলে ডাকতুম-বড়দাদা তাকে তীর “স্বপ্নপ্ৰয়াণ’ থেকে একটি কবিতা শোনাচ্ছিলেন ; তার কানে তা ঠাকুর দেবতার কথার মত কি যে সুধামাখা মিষ্টি লাগল। সে ভক্তির সহিত গড় হয়ে প্ৰণাম না করে আর থাকতে পারলে না । বড়দাদার কাছ থেকে কার্যগতিকে অনেক দিন পৃথক হয়ে পড়েছি কিন্তু তঁর স্মৃতি আমার জীবনের সঙ্গে জড়িত, কখনই বিলুপ্ত হবার নয়। সে ভালবাসা, সেই অট্টহাস, শিশুর ন্যায় সেই সরল অন্তঃকরণ ক্ষণে তুষ্ট ক্ষণে রুষ্ট, পুরাণে সে দিনের সে সব কথা কি কখন ভোলা যায় ? তো হি নো দিবসাগতাঃ-সত্য কিন্তু মনোরাজ্যে সে সব দিন চিরদিনই জ্বলন্ত রয়েছে। আমাদের সেকালের দু'একটি ঘটনা মনে হচ্ছে। বড়দাদার একটি ভূত্য ছিল, তার নাম কালী। তার উপর কত রাগ, কত তম্বী, কত ঝড় তুফান গালি বর্ষণ হচ্ছে, আমরা দেখছি অনেক সময় অকারণে ; চাসমা খুজে পাচ্ছেন না। তাকে কত ধমকান হচ্ছে, চীৎকার ধ্বনিতে আকাশ ফেটে যাচ্চে অথচ সেই চসীমা হয়ত নিজের পকেটে-পকেটে বলাটাও ঠিক হল না, তার চোখের উপর কপালে ঠ্যাকান রয়েছে—আমরা দেখিয়ে দিলে শেষে হেসে অস্থির । এদিকে এক হাতে যেমন তিরস্কার, পরীক্ষণে অন্য হাতে তেমনি পুরস্কার। এইরূপ ক্ষতিপূরণের কাজ চলেছে, কালীও এই গালি গালাজ চড়টা চাপড়টায় কোন ভ্ৰক্ষেপ না করে মনের সুখে কাজ করে যাচ্ছে।--বড়দাদার ভোলা স্বভাবের দরুণ যে কত লোক বিপদে পড়ত তার ঠিক নেই। হয়ত কাউকে খাবার নিমন্ত্রণ করেছেন