পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


« R उाँ भाँ दू दां व्I क था। নাটকের পাত্ৰপাত্রী সেজেছিলেন। মেয়ের পার্ট অবিশ্যি পুরুষের নিতে হয়েছিল । আমার পিতা এই অভিনয়ের সংবাদ পেয়ে কালীগ্ৰাম হতে মেজদাদাকে লিখেছেন ; ( 8 মাঘ ১৭৮৮ শক, ১৬ই জানুয়ারী ১৮৬৭) ) । “তোমাদের নাট্যশালার দ্বার উদঘাটিত হইয়াছো-সমবেত বাদ্য দ্বারা অনেকের হৃদয় নৃত্য করিয়াছো-কবিত্ব রসের আস্বাদনে অনেকে পরিতৃপ্তি লাভ করিয়াছে। নির্দোষ আমোদ আমাদের দেশের যে একটি অভাব, তাহা এই প্রকারে ক্ৰমে ক্ৰমে দূরীভূত হইবে। পূবে আমার সহৃদয় মধ্যমভায়ার উপরে ইহার জন্য আমার অনুরোধ ছিল, তুমি তাহা সম্পন্ন করিলে। কিন্তু আমি স্নেহপূর্বক তোমাকে সাবধান করিতেছি, এ প্ৰকার আমোদ যেন দোষে পরিণত यः शं ? আমাদের বন্ধু অক্ষয় মজুমদার নাট্যের প্রধান নায়ক গবেশবাবু সেজেছিলেন-নাট্য অভিনয়ে সেই তার প্রথম উদ্যম ; পরে তিনি ঐ ক্ষেত্রে উত্তরোত্তর আরো উৎকৰ্ষ লাভ করেছিলেন-ৰ্তাকে ছেড়ে আমাদের কোন অভিনয় সিদ্ধ হত না । হাস্যরসের অভিনয়ে তিনি অদ্বিতীয় ছিলেন। এই নবনাটক আর মানময়ী নামক একটি গীতিনাট্য সর্বপ্রথম আমাদের বাড়ীতে অভিনীত হয়। পরে অলীকবাবু, হঠাৎ নবাব প্রভৃতি আরো অনেকগুলি নাটকের অভিনয় হয়। “বাল্মীকি প্ৰতিভা’ আর ‘রাজা ও রাণী” এই দুই নাট্য আমাদের বাড়ীর মেয়ে পুরুষ সকলে মিলে গড়ে তোলা গিয়েছিল। এক সময় ছিল যখন আমাদের বাড়ী আত্মীয় স্বজনে পূর্ণ ছিল। এ-বাড়ী ও-বাড়ীর সকলে আমরা একান্নপরিবারভুক্ত ছিলুম। ক্রমে পৃথক হয়ে পড়লুম। মেজদাদা ও আমাদের মধ্যে যখন বিভাগ হল আমার মনে ভারি বেদন লেগেছিল। আমরা তেতলার বাড়ীতে