পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(R V9 उां भां ब्र दां जT क था। প্রদেশের আচার-ব্যবহার, রীতিনীতি, ধৰ্মসম্প্রদায়, তীৰ্থস্থানইত্যাদি বিষয়ে একটা সভায় বক্তৃতা দিয়েছিলুম-ব্ৰহ্মানন্দ কেশবচন্দ্র সেন সভাপতির আসন গ্ৰহণ করেছিলেন। সেই বক্তৃতায় আমি কথায় কথায় বলেছিলুম। বাঙালীদের যেমন প্ৰধান আহার ভাত ওদেশে সেরূপ নয়, ভাতের ব্যবহার আছে বটে কিন্তু সাধারণ লোকের মধ্যে বেশীর ভাগ রুটিই প্ৰচলিত, কোথাও বজরী ( বজরা), কোথাও জোয়ারী বা গমের হাত-গড়া রুটি ! ভাতই আমাদের যেমন প্ৰধান খাদ্য ওদেশে তেমনি রুটি । এই ভাতখোর ও রুটিখোর, দুই জাতির মধ্যে বলিষ্ঠ কোন জাতি ? এই প্রশ্ন উঠল। আমি বলেছিলুম ভারতবর্ষের অন্যান্য অনেক জাতির তুলনায় বাঙালী দুর্বল ! আবহাওয়ার গুণাগুণ এই পার্থক্যের এক কারণ হতে পারে, আহারের তারতম্য ও আর আর কারণের মধ্যে ধরা অসঙ্গত হয় না । যব ও গমের মত ভাত পুষ্টিকর খাদ্য নয়, সুতরাং ভাতখোর বাঙালী যে দুর্বল তাতে আর বিচিত্র কি ? এই কথা শুনে নবগোপাল বাবু মহা চটে উঠলেন। তিনি চীৎকার করে আপনার অমত প্ৰকাশ করে বল্লেন, “তা কখনই হতে পারে না । তোমরা যাই বল, আমরা একবার ভাত খাব, দুবার ভাত খাব, তিনবার ভাত খাব।” এ তর্কের আর কোন উত্তর নেই। “সভা হল নিস্তব্ধ।” তখনকার কালে নবগোপাল ন্যাশনাল দলের দলপতি ছিলেন । র্তারি নেতৃত্বে জাতীয় মেলা সফলতা লাভ করেছিল ; দুঃখের বিষয়, সে উৎসাহ অধিক দিন স্থায়ী হল না, শীঘ্রই নিবে গেল। এই স্বদেশী ভাবের যে পুনরুদ্দীপন হয়েছে এভােব যদি দেশময় বিস্তার লাভ করে শাশ্বতকাল স্থায়ী হয়, তাহলেই দেশের মঙ্গল প্ৰত্যাশা করা যায় । পূবে বলেছি যে, পূবে আমরা দুই কাকার সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবারভুক্ত ছিলাম। তখন ঠাকুর পরিবারের অন্যান্য শাখার মধ্যেও BBBu uBDBB D DDD BBDS DDD DDD DDB BB DBDBBB