পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


आी भां ब्र बां डी1 क था (RC) ও শান্ন আপো ধন্বন্যাঃ শমনঃ সন্তু কৃপ্যাঃ শন্ন সমুদ্রিয়া,-কুয়ার জল আমাদের মঙ্গল করুক ইত্যাদি। কুপোদককে কথা শোনানো সহজ, সে জল পরিষ্কার রাখা আমাদেরই হাতে ; কিন্তু সমুদ্র সকল সময়ে রাস মানেন না, টাইটানিক জাহাজ ডুবিই তার জ্বলন্ত প্ৰমাণ ! এই সন্ধ্যা দুবার আবৃত্তি করবার নিয়ম ; কিন্তু ঐ নিয়ম বেশিদিন পালন করেছিলুম বলে বোধহয় না। তবে আমরা মহৰ্ষির উপদেশে জানলুম যে উপবীত গ্রহণের মুখ্য তাৎপৰ্য গায়ত্রী মন্ত্রে দীক্ষা । তা হতেই আমাদের নূতন জন্ম-তখন থেকে আমরা দ্বিজ। ব্ৰহ্মসাধনের অঙ্গরূপে গায়িত্রী মন্ত্রের উপর পিতৃদেবের কত টা আস্থা ছিল তা তার আত্মচরিতে দেখতে পাই। তিনি বলছেন “পুরুষানুক্ৰমে আমরা এই গায়িত্রী মন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া আসিতেছি। এই মন্ত্র আমাদের শিরায় শিরায়। যদিও আমি বুঝিলাম যে ব্ৰহ্মউপাসনার জন্য গায়ত্রী সাধারণের পক্ষে উপযুক্ত নহে, কিন্তু আমি সেই সাবিত্রী দেবীকেই ধরিয়া রহিলাম, কখনো পরিত্যাগ করিলাম । না । গায়ত্রীর গৃঢ় ভাবাথ আমার মনে দিন দিন আরো প্রকাশ হইতে লাগিল। ক্ৰমে ক্ৰমে ‘ধিয়োয়োনঃ প্ৰচোদয়াৎ? আমার সমস্ত হৃদয়ে মিশিয়া গেল। ইহাতে আমার দৃঢ় নিশ্চয় হইল যে, ঈশ্বর আমাকে কেবল মুক সাক্ষীর ন্যায় দেখিতেছেন তাহা নহে। তিনি আমার অন্তরে থাকিয়া অনুক্ষণ আমার বুদ্ধিবৃত্তি সকল প্রেরণ করিতেছেন। ইহাতে র্তাহার সহিত একটি ঘনিষ্ঠ জীবন্ত সম্বন্ধ নিবদ্ধ হইল।” আমাদের মধ্যে উপনয়ন প্ৰথা সাধারণতঃ যে ভাবে প্ৰচলিত আছে তাহা অৰ্থহীন আড়ম্বর মাত্র। বৈদিক ক্রিয়া সংক্ষেপে সারিয়া ফেলা-ঐ ক্রিয়ার সারভাগ পরিত্যাগ করে যেন শুধু খোলসটা রাখা হয়েছে। পিতৃদেব যে ভাবে উপনয়নকে পুনঃ প্ৰতিষ্ঠা করেছেন তাতে প্ৰাচীন প্রথার কাছাকাছি যতটা রাখা যেতে পারে তার চেষ্টা