পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


उां मां ब्र यां जा क थ ፃ © র্যাদের নাম স্মৃতি মাত্রই রয়ে গিয়েছে কিন্তু এই যে বন্ধুতার কথা বলছি এ এখনো পর্যন্ত অক্ষুন্ন রয়েছে। আমি র্যার কথাগুলি এই লিখছি আমার সেই প্ৰিয়সুহৃৎ। এ সময়ে রোগশয্যায় শয়ান। ৫, ৬ বৎসর ধরে তিনি উৎকট পীড়ার কষ্ট পাচ্ছেন। কিন্তু পীড়ার যন্ত্রণায় তঁর স্বাভাবিক স্ফৰ্তি কখনো স্নান হতে দেখিনি। কোন দিন একটু ভাল কোন দিন মন্দ, এই উত্থানপতনের মধ্যে তিনি ধীরভাবে দিনযাপন করছেন। এই দুঃখ কষ্টে র্তার ধৈৰ্য অসীম, তার বীর্য ও সাহসের হ্রাস নাই। র্তার কি রোগ, চিকিৎসায় কি কি প্ৰয়োজন, তিনি এ সকলি তন্ন তন্ন করে জেনেছেন আর ডাক্তারের ঔষধ পথ্য যা কিছু ব্যবস্থা করেন, যাতে তার তিলমাত্র ব্যতিক্রম না হয় তিনি নিজেই তার তত্ত্বাবধান করেন । বলতে গেলে তিনি আপনিই আপনার চিকিৎসক, আপনি ধাত্রী । আমার একজন ইংলণ্ডপ্রবাসী বন্ধু এদেশে এসে তার এই অবস্থা দেখে বলছিলেন, “তারক যেন যমের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন”,-সত্যই করছেন-যমের সঙ্গে যুদ্ধ করেই তিনি এতদিন পর্যন্ত জীবিত রয়েছেন । VİRGİ3 Lukis IgGCVT, “YlfFINS GK KG iš Will-power এর জোরে বেঁচে আছেন-আমাদের ডাক্তারি শাস্ত্রের সবই যেন উলটে দিয়েছেন।” মৃত্যু আসুক তাতে র্তার কোন ভয় নাই, কেবল ভয় এই যে, যে মহৎকাৰ্য সমাধা করতে তিনি উৎসুক, পাছে মৃত্যুতে সে কাজের কোন ব্যাঘাত হয়। তিনি তার স্বেপার্জিত প্ৰভৃতি ঐশ্বৰ্য দেশের কল্যাণত্রতে উৎসর্গ করেছেন, তা কারো অবিদিত নাই। আমাদের দেশে যাতে বিজ্ঞান-শিক্ষার প্রচার হয়, বিজ্ঞান বলে যাতে কৃষিশিল্পের উন্নতি এবং ঐ সঙ্গে দেশীয় লোকের অর্থে পার্জনের সহস্র দ্বার উন্মুক্ত হয়, এই তঁর আন্তরিক ইচ্ছা । তিনি প্ৰথমে তার ধনবল একত্র করে জাতীয় শিল্পবিদ্যালয় প্ৰতিষ্ঠার সহায়তা করেন, পরে যখন সেই বিদ্যালয়ের