পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


डां भां ब्र बां जJ क था \byحل কাছে একটি ছোট্ট নদী ছিল, তাতে আমরা কেহ কেহ বোটে করে ব্যাড়াতে বের তুম। মনে আছে একবার আমি কৌতুকক্রমে তার মনে ভারি আঘাত দিয়েছিলুম। তিনি আমাকে একটি ফুল উপহার দেন-সযত্নে আমার বুকের উপর কোটে পরিয়ে দিয়েছিলেন। দুৰ্ভাগ্যক্রমে ফুলটি শীঘ্ৰ শুকিয়ে গেল। কে একজন জিজ্ঞাসা করলেন-“এর মধ্যে ফুল শুকিয়ে গেল-এর কারণ কি ?” আমি উত্তর দিলুম, “ভিতর থেকে রস পায়নি বলে বেচারা অত শীত্র মুষড়ে পড়েছে।” Miss G. মনে করলেন আমি তঁর উপর কটাক্ষ করে এ কথা বলুম-যদিও আমি কেবল কথার কথামাত্র বলেছিলুম, কোনই গৃঢ় অভিপ্ৰায় ছিল না। যা হােক আমার এই অনবধানের উক্তির দরুণ আমি তার বিরাগভাজন হয়েছিলুম-কত সাধ্য সাধনার পর তঁর মানভঞ্জন হল। এই ছাত্রাবাসে থেকে পাঠাভাসে আমাদের বিস্তর খাটতে হত ; মাঝে মাঝে একটু বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যা সকাল পৰ্যন্ত নিয়মিত পরিশ্রম করতে হত ; এই অতিরিক্ত পরিশ্রমে যে আমার শরীর ভেঙ্গে পড়েনি এই আশ্চৰ্য। এই পরিশ্রমের কুফল হওয়া দূরে থাকুক সদ্যই সুফল ফললো। ১৮৬২ সালে আমি সিবিল সার্বিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলুম। যখন পরীক্ষার ফল প্ৰকাশ হয় তখন আমি মনোমোহনের সঙ্গে যুরোপে ভ্ৰমণে বেরিয়েছি - প্যারী নগরীতে “পাস’ হওয়ার সংবাদ আমার হাতে এল । আমি “পাস’ মনোমোহন ফেল। আমি প্ৰথম বৎসরেই পরীক্ষেত্তীর্ণ হতে পারব এরূপ আশা করি নাই । আমার আশাতীত ফল লাভ হল তাতে আমার আনন্দ কিন্তু আমার বন্ধুর নৈরাশ্য সংবাদে সে এক রকম ‘হরিষে বিষাদ৷’’ বোধ করলুম। সে যাই হোক আমাদের মনের কথা মনেই রইল। তখন আমরা ভ্ৰমণে বেরিয়েছি-আমাদের ব্ৰত উদযাপন করা প্ৰথম কাজ। প্যারী হতে আমার Switzerland-এ প্ৰবেশ করলুম। “প্যারী’ এই নামের সঙ্গে কি মধুর স্মৃতি জড়িত আছে। নগরটি কি সুন্দর দুই বৃক্ষ শ্রেণীর মধ্য দিয়ে প্রশস্ত পথ