পাতা:আমার বাল্যকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(क्रात&? ज७] --হিন্দ্ৰসভায় নানা লোকের সমাগম ছিল, তার মধ্যে কতকজন {ারের লোক । অাম-দরবারের যে সব লোক যাওয়া আসা }াদের কথা পড়বার আবশ্যক নেই। একমাত্র বলে রাখি যে, এক সময়ে ব্ৰাহ্মসমাজে যারা ঘন ঘন যাওয়া আসা করতেন তাদের মধ্যে অনেকে ছিলেন সম্রান্ত স্বর্ণবণিক শ্রেণীর লোক । এখন আর সে দলের লোক দেখতে পাই না- এমন হতে পারে যে, এক্ষণে দেবতার আরাধনায় মগ্ন থেকে তঁরা আর উচ্চতর সাধনার সময় পান না । যে সকল লোক এক সময়ে দেবেন্দ্ৰসভার অন্তরঙ্গ ছিলেন। তঁদের দু' চারজনের কথা বল্লেই যথেষ্ট হবে। বৈকুণ্ঠনাথ দত্ত-ছোট্ট মানুষটি কিন্তু তার ব্যবসাবুদ্ধি তীক্ষ ছিল। তঁর মাথায় কতরকম speculation খেলত কিন্তু দুৰ্ভাগ্যক্রমে কিছুতেই সাফল্যলাভ করতে পারতেন না । আজ চায়ের ব্যবসা, কাল বই, পরশু কাপড়—র্তার কথা শুনলে মনে হত এবার বুঝি সোনার কাটি হাতে পেয়েছেন-যাতে ছোয়াবেন সোনা ফলবে । শেষে দেখা যেতো কোনটাতেই তার মনোমত ফললাভ হল না । আর এক ছিলেন রাজা কালীকুমার ; জাতিতে স্বর্ণবণিক, হৃষ্ট পুষ্ট, শুচিবাইগ্ৰস্ত লোক, যিনি সন্দেশ ধুয়ে খেতেন। তিনি পারস্য সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন-ৰ্তার সহচর একটি মুসলমান যুবক সঙ্গে সঙ্গে ফিরত । তঁর ফারসী বয়েৎ আওড়ানো মনে পড়ে—একটি স্তোত্ৰ মনে আছে, তা এই :- তু জান পাক-অয় সৰ্ববসৰু বে। আব্ব খাক, অয়ি নাজনি (তুমি প্ৰাণ, পবিত্র সব শঃ, না। আপ মাটি, হে প্রিয়তমা) বল্লা জন-জ হম পাকতর রূহে ফাদাক অয়ি নাজানি ( ও আল্লা প্ৰাণ হতেও পবিত্ৰতর আত্মায় লীন হে প্ৰিয়তমা)