পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কাছ থেকে গবেষকের প্রতিভা খুঁজতে সময় নষ্ট করেন। অমৃত তৰু কিছু জবাব দিয়ে এসেছে এতকাল। আজও দিয়েছে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামছে। অমৃত ওখান থেকে বের হয়ে চৌরঙ্গী পাড়ায় একটা চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছে। এটা আজ তার কাছে বিলাস বলেই বোধ হয়। নগদ চার আনা পয়সা দিয়ে চায়ের প্রতিটি চুমুক তারিয়ে তারিয়ে খাচ্ছে। ওপাশের নীল ডিসটেমপার করা দেওয়ালের গায়ের টেবিলে কার হাসির শব্দ শুনে চমকে ওঠে। উছল হাসির শব্দ ওঠে। ওখানে । ওই হাসি তার চেনা। ওপাশে রাত্রিকে দেখে চাইল। ওর সঙ্গে একটি তরুণ-পরণে দামী টেরিলিনের সূৰ্যট। ডানহাতে খাটি সোনার একটা চেন আটকানো। রাত্রির কথায় কি যেন মাদকতার সুর মেশানো, ছেলেটির গাল ধরে একটু নাড়া দিযে আদর করে রাত্রি --- ইউ ন্যটি বয়। নে| টি নাও ? --দেন ? রাত্রি কি বলতে চায়। ওকে। ছেলেটিই কি যেন বলছে তাকে ।


প্লিজ!! রাত্রি ।

রাত্রিই শোনায় তাকে । —মই গড! ইউ আর রিয়েলি ডেনজারাস! দেন—লেট আস গো। ছেলেটির হাতটা ওর নগ্ন মাংসল কোমরটাকে জড়িয়ে ধরেছে। সিস্কের দামী শাড়িটার অাঁচল খসে পড়েছে ওর গা থেকে, রাত্রির নিটােল দেহের রেখাগুলো ফুটে উঠেছে, সেই নগ্ন প্রকাশেও কোন দ্বিধা নেই, হিসােবও নেই। তারা। আশাপাশেও নজর নেই। রাত্রির। অমৃত ওইদিকে চেয়ে দেখছে। রাত্রি আর ছেলেটি এখান থেকে বের হয়ে গিয়ে সামনের বারে ঢুকলো, চায়ের তৃষ্ণার চেয়ে তাদের মনের তৃষ্ণা অনেক বেশী—আরও উছল ; রাত্ৰিও উছল হয়ে উঠেছে। অমৃত বের হয়ে রাস্তায় নামল। সামনের বারের পালিশ করা গ্লেইজড় কাচের দরজাটার ওপাশে কি যেন সূর্য উঠছে। ওখানে কামনার নীল তুফানে কারা ভেসে চলেছে। ওই জীবনের স্রোতে রাত্ৰিও বদলে গেছে। SOዒ