পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইতস্তঃত করে রাত্রি জানায়।--বেলায় বের হই, বৈকালের দিকে। একটু বসে। না-৩াড়া তো নেই তোমার। অমৃত ওকে দেখছে। আজ রাত্রিকে মনে হয় অনেক সহজ আর কি যেন ভাবছে ( অমৃত লক্ষ্য করেছে রাত্রির মুখে-চােখে হঠাৎ যেন একটা কালো ছায়া নেমেছিল অমৃতের প্রশ্নে। কালকের সন্ধ্যার সেই মেয়েটিকে স্মরণ করতে চেষ্টা করে অমৃত। সেই লাস্যময়ী রূপ। ওর সত্যিকারী নয়, সেই রূপের প্রকাশে হাসির ধারালো ঝিলিকে ও জীবনকেই ব্যঙ্গ করে নিষ্ঠুরভাবে। আবার এই দিনের বৃত্তে ফিরে এসে বদলে যায় রাত্রি। তার চিরন্তন হতাশার মাঝে আশার স্বপ্ন দেখোঁ । রাত্রি শুপোল অমৃতকে। —তোমার কাজ কর্ম কিছু হল ? অমৃত এবার ইনটারভিউ দিয়েছে ভালোই। তাছাড়া ওই অফিসের একজন কর্তাব্যক্তিকে ধরেছে। এবার অমৃতও আশা করছে কিছু। তাই জানায় অমৃত। —চেষ্টা করছি। দু'এক জায়গায় কথাও হয়েছে। তবে না হওয়া পর্যন্ত কিছু বিশ্বাস নেই। রাত্রি ওর দিকে চেয়ে আছে। ওই দৃষ্টিতে একটা শূন্যতার বেদনা। স্নােণ বিষঃ সেই চাহনি । রাত্রি বলে। —তাই কিছু হােক অমৃত। অর্থাৎ অমৃতের একটা চাকরি হওয়ায় তারও পূর্ণ সমর্থন আছে। হয়তো আরও কিছু জানাতে চায় সে, সেটা তার চোখে ফুটে উঠেছে। মুখ ফুটে বলতে পারে না। অমৃত বলে-—আজি উঠি রাত্রি। রাত্রি কি ভাবছিল। ওর কথায় চমক ভাঙ্গে তার } রাত্রি জানায় । Σ δυν