পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১২৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


---- খিদে নেই লেখাদি। ওদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থাও ছিল প্রচুর। খাবো না। কছি, কাজলদাই ছাড়লেন না। দুটাে গরম গরম ফ্রাই আর সন্দেশ খেতে হলো। রাতে আর কিছু খাবো না। ওই সব কথা সে শুনতে চায় না! ভালো লাগে না তার! সুলেখা। তবু মনের সেই ঝড়টাকে চেপে বলে। -শুয়ে পড়ে।াগে। ঠান্ডা লাগিয়ে না। নিজের ঘরে চলে গেল সুলেখা। সাবিত্রী চমকে ওঠে। ওই কথাটায়। এখন এই জগতে নাম কিনতে কিনতে নিজের দেহটাকেও যেন তার অজানতে আরও মোহময় করে তুলেছে। জামাগুলোর মাপও তার নিটােল পুরুষ্ট দেহের সমতা রেখে তৈরী করানো। দেহের রেখাগুলোকে সোচ্চার করে তুলেছে সে, এতদিন পর সাবিত্রী জেনেছে রূপের হাটেও তার কদর আছে। আর সেই রূপকে সেও প্রকাশিত করে তোলার চেষ্টা করেছে। ইচ্ছে করেই। সাবিত্রী জেনেছে দেখেছে। এই জগতের মানুষগুলোকে। তাকেও সে তাই এমনি মোহময়ী করে তোলে নিজের প্রতিষ্ঠাকে কায়েম করার জন্য। তার কণ্ঠের মাধুর্যের সঙ্গে এই রূপটাকেও মিশিয়ে নিয়ে তার কণ্ঠে দেহ-কামনাব মাতাল সুর তুলতে পেরেছে সে। যেখানে আজকের সুলেখাদি ফুরিয়ে গেছে সেখানে নতুন করে জেগে উঠেছে সাবিত্রী তার বৈভব নিয়ে । সুলেখাদি ওকে যেন সেই ইঙ্গিতটা করেই চলে গেল। কঠিন কণ্ঠে। সাবিত্রী এখন সেটা বুঝতে পাৱে। রাত হয়ে গেছে। সাবিত্রীর ঘুম আসে না। ওর সারা মনে যেন কি কামনার ঝড় উঠেছে। হারানো সেই প্রথম যৌবনের দিনগুলোকে ফিরে পেয়েছে সে। ও জানতো তার মনের গহনে ছিল এমনি একটি বুভুক্ষু মন।। আজ সে অনেক কিছু পেতে চায়। বাইরে চাদের আলোর তুফান নেমেছে। শান্ত স্তব্ধ রাত্রি। বাগানের রজনীগন্ধা ফুলের তীব্র মদির সুবাস মিশেছে। হাসনুহানার সীেরভের সঙ্গে। দমকা হাওয়ায় সুপারী গাছের পাতাগুলো কাঁপছে। SSb