পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/১৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাবধান হতে হবে তাকে। আর বুড়ো বসন্তবাবুর সম্বন্ধে একটা চরম ব্যবস্থাই নিতে হবে হয়তো । বাসস্তবাবু বলেন। --তাহলে চলি বাবা! তোমার দয়ার কথা ভুলবো না। পটল মনে মনে জুলে উঠেছে। ওর ন্যাকামিতে। বুড়ো বাসস্তবাবু এখনও এ জগৎকে চেনে নি। এর জন্য কি মূল্য দিতে হবে তা ওর জানা থাকলে এত সহজে এসব কথা বলতেও পারতো না । পটল তাই বলে। —যখন থাকবেন না ঠিক করেছেন কি আর বলবো, তবু অনুরোধ করবো। মাষ্টারমশাই কথাটা ভেবে দেখুন। মাইনে না হয় একশো টাকা বেশী দেব। বসন্তবাবু শিউরে ওঠেন। —--না, বাবা। টাকার প্রলোভন দেখিও না পটল । পটলের মুখের উপরও যেন কেটা থাপ্পড় কসিয়েছে। পীল নিজেকে সামলে নিয়ে স্থির কণ্ঠে বলে। —ঠিক আছে। পটল কি ভাবছে। এবার তার চরম ব্যবস্থা নেবার পালা। ওকে জাল কেটে বের হতে দেবে না সে। জানে পটল তার বাঁচার পথ থাকবে না। ওর বদ্ধমূল ধারণা হয়ে গেছে, বুড়োকে আরও বেশী টাকার লোভ কেউ দেখিয়েছে। পটল তার কর্তব্য স্থির করে নিয়ে বলে। রাত হয়ে গেছে। পথ-ঘাটের অবস্থা ভালো নয়। গাড়িতেই পৌঁছে দিয়ে আসুক আপনাকে { বসন্তবাবু কুষ্ঠিত বোধ করেন ওর এই সদয় ব্যবহারে। পথের অবস্থাও ভালো নয়। গোলমাল লেগেই আছে। তাই বাধ্য হয়েই রাজী হতে হয়। --তাই দাও । পটলও এই চেয়েছিল। তার অন্ধকারের হাতের ইশারায় অনেক কিছুই ঘটে থাকে। তার জন্য লোকেরও অভাব নেই। খবরটাও সঙ্গে সঙ্গে চলে যায়, নির্দেশ ও চলে Տ 8 Գ