পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মূল্যহীন। এই পরাজয়ের গ্লানি থেকে ওরা কেউ বাদ যায় নি। অমৃত এক জায়গায় কঠিন হয়ে উঠেছে। --- অমৃত সাবিত্রীর ডাকে চাইল। সাবিত্রীও ভেবেছে কথাটা। তার জীবনেও এই আদর্শ নিয়ে সে বেঁচে থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু আজ সে শিউরে উঠেছে। বলে সে অমৃতকে । — বাবা ঠিকই করেছে। দাদা ? এছাড়া পথ কই ? অমৃত জবাব দিল না। সে সাবিত্রীর চােখে-মুখে কিসের অসন্ধান করছে। ওরা এত সহজে এই পরাজয় আর নিঃশেষ আত্মসমর্থনকে মেনে নিতে পারে না, তাই বলে ওঠে অমৃত। -এ কিছুতেই হতে পারে না সাবিত্ৰী! বাবা শেষ কালে ওখানে যাবেন ? সাবিত্রী দাদার দিকে চাইল । --তাহলে পথ কি ? না খেয়ে মরবো সবাই, পথ তো নেই। আর । —জানি না! তারই সন্ধান করছি সাবিত্ৰী! ওই পটলবাবুর পরিচয় আমি জানি। বাবা শেষকালে ওর চাকরী করতে যাবেন এটা ভাবতে পারি না। ওরা দু’জনে কি ভাবছে। সুধাময়ীর গলা শোনা যায়। —এসো, খেয়েদেয়ে উদ্ধার করো আমাকে। আর সেই হতচ্ছাড়া কোথায় ? রাতদুপুর অবধি কোথায় থাকে? --ভয় নেই! এসে গেছি। মাদার ? ডিনার রেডি করো। অশোক ঢুকতে ঢুকতে সাড়া দেয়। সুধাময়ী গজগজ করে। --কোথেকে সেটা জোটে তার খবর রেখেছিস ? --আপসে! অশোক বলে ওঠে। বসস্তবাবু খেয়েদেয়ে ও ঘরের তক্তপোষের বিছানায় শুয়ে পড়েছেন। দেহ-মনের উপর দিয়ে বেশ খানিকটা ধকল গেছে । আজকের সেই ঘটনাগুলো তার মনের উপরও W8