পাতা:আমি শুধু একা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


--অশোক! কি যা তা বলছিস ? বসন্তবাবু বিবৰ্ণ চোখে চেয়ে থাকেন। অশোকের দিকে। অশোক জবাব দেয়। —ঠিকই বলছি। এটা তবু জেনে রাখ—যাদের মরারই কথা, ওই ভাবে বঁাচার চেষ্টা করেও তারা বঁচিতে পারবে না। কোন লাভ নেই ওতে। অমৃত অশোকের দিকে চেয়ে আছে। সাবিত্রী শিউরে উঠেছে অশোককে ওই অবস্থায় দেখে। জামাটা রক্তাক্ত ছেড়া, স্যান্ডেলটা নেই। কোথায় হারিয়ে গেছে। অমৃত বলে। --তাই গুন্ডমী করতে হবে ? অশোক হাসল। ও জানায় অমৃতকে তীব্র কণ্ঠে। —তোদের মত গুড বয় তো একে গুন্ডমীই বলবে। কারণ আমি ওসব দুর্বলের নীতিকে মানি না। আশা করিস ওই শাস্তি আর চাকরী পাবি। সাবিত্রীও তো বেশ নাকি নাম করছিস গানে। তোরা এইবার টাকা-নাম-যশ পাবি, লিভ-টভও করবি। এই নিয়েই তোদের জীবন, আর আমি ওকে বলবো মোহ নিয়ে বেঁচে থাকা, ওটাকে ঘূণা করি। ওই কঁচের মিনারটাকে তাই ভেঙ্গে ফেলে আসল মানুষটাকে চিনতে চাই। তাই তোরা তো গুন্ড বলবিই আমাকে । সুধাময়ী কি বেদনায়-জুলায় কঁদছে। সব কিছু তার যন্ত্রণায় বিবৰ্ণ হয়ে গেছে। অশোক তা বুঝল না। তাই সুধাময়ী বলে। —এই ভাবে মরবি তুই ? --তার আগে লড়ে যাবো। বাসস্তবাবুর ছেলেকে দেখছেন। ওর চোখে শুধু ঘৃণা আর জ্বালা। সবকিছুই তার চোখে বিষিয়ে উঠেছে। বসন্তবাবুর সামনে ওই ছেলেটা আজ নিষ্ঠুর কাঠিন্য নিয়ে জেগে উঠেছে। হঠাৎ অন্ধকারে বাইরে একটা গাড়ি থামার শব্দ ওঠে। কারা যেন ছুটে আসছে। এই দিকে। অশোক চকিতের মধ্যে চমকে ওঠে। তৈরী হয়েছে সে। brぐう