পাতা:আমেরিকার নিগ্রো - রামনাথ বিশ্বাস.pdf/৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উইলী ৪১ দের অত্যাচারের কথা মনে হত তখনই নিগ্রো জাতের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে চিন্তিত হয়ে পড়তাম। আবার যখন উভয় সম্প্রদায়ের দৈন্যতার কথা ভাবতাম তখন মনের কোণে এক টুকরা সাদা মেঘ দৌড়াদৌড়ি করত। কাকার বাড়ি থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ মনে হল একখানা “দৈনিক আয়না কিনে নেই, দরকার হলে মেয়ের বাবাকে সংবাদ দিতে পারব। বাস হতে নেমে পড়লাম টাইম স্কোয়ারের কাছে। একটু দূরেই একটি সংবাদপত্রের উল। ষ্টল থেকে সংবাদপত্র কিনেই আবার বাসে উঠলাম। আড্ডায় যেতে ইচ্ছা হল না, সােজা ঘরে এসে মায়ের সংগে দেখা করলাম। দেখলাম খুকী খেয়ে শুয়েছে মায়ের পাশে। মা বললেন, “দুটো লােক তােকে খুজতে আসছিল। তাদের আমার ঘরে ঢুকতে দিইনি, বলে দিয়েছি তুই কোথায় চলে গেছি। ভাল করেছ, এখন ঘরে থাকা চলবে না। অন্যবার কেউ যদি আমার খোঁজ করতে আসে তবে বলে দিও অন্যত্র চলে গেছি। কখন ফিৰ সে কথা তুমি জাননা। | নিজের ঘর থাকতে হােটেলে কেউ থাকতে চায় না। তবুও হােটেলে যেতে হল। সাদা পাড়ার হােটেলে গেলাম। হােটলে শুতে হলে নাম লিখাতে হয়। নিজের নাম গােপন করে অন্য একটি সুন্দর নাম লিখলাম। ইংলিশ নাম সকলেই পছন্দ করে। ইংলিশ নামই লিখলাম। তারপর গেলাম রুমে। রুমটা বেশ ভাল। পচিশ সেট দৈনিক ভাড়া। রুমে প্রবেশ করে ভেতর থেকে কমটা বন্ধ করে দিয়ে পত্র লিখতে বসলাম। যার মেয়ে হারিয়েছে তার ঠিকানা সংবাদ পত্রেই ছিল। সর্বপ্রথম এনভেলাপ নিয়ে শিৰােনামা লিখলাম। তারপর পড়ে কি লিখব তাই অনেকক্ষণ ভেবে ঠিক করলাম যা ঘটেছে .r ।