পাতা:আমেরিকার নিগ্রো - রামনাথ বিশ্বাস.pdf/৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৫৬ আমেরিকার নিগ্রো সামনে পায় তবে নিশ্চয়ই হত্যা করবে। সে ভাবল, ডাকাতের কাছেই থাকতে হবে অথচ আত্মগােপনও করতে হবে। সেজন্য কি রকম কাজ করলে সুবিধা হবে তাই ভাবতে ছিল। উইলী জানত এসব বিষয়ে তার মা বড়ই চতুর। একদিন সে বিষয়টা তার মায়ের কাছে উত্থাপন করল। উইলীর মা লেনা, ছেলের ভালমন্দ একেবারে ভুলে গিয়েছিল। উইলী বিষয়টা উত্থাপন করা মাত্র লেন উইলীকে বললেন, আমার উপর তােমার নির্ভর করা মােটেই শশাভা পায় না। এখন তুমি বড় হয়েছ, তােমার ভালমন্দ তােমাকেই দেখতে হবে। আচ্ছা, যদি কোন উপায় করতে পার, তখন তুমি আমার কাছে আসবে, তখন ভেবে দেখব কি করতে পারি। উইলী চলে যাবার পর লেনা তারই কথা ভাবছিলেন এবং সে যে কত বড় অপদার্থ তাই ভেবে চিন্তিত হচ্ছিলেন। লেনার একজন বিশিষ্ট বন্ধু ছিলেন, তিনি জাতে গ্রীক এবং প্রগতিপন্থী। প্রগতিপন্থীদের চিন্তাধারা লেনা ভাল করে বুঝতেন না, কিন্তু তিনি জানতেন এরা কাউকে ঠকায় না। কখনও না। সেজন্য তার ধনরত্ন গ্রীকের কাছে জমা থাকত। প্রায় দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার মূল্যের অলঙ্কার লেন তারই কাছে জমা রেখেছিলেন। তারই কাছ থেকে সুদ বাবদে যা পেতেন তাতেই সংসার চলে যেত। লেনার দুখানা ঘরের ভাড়াই ছিল একশত পঁচিশ ডলার তাও ফারনিষ্ট। প্রত্যেক দিন দশটার সময় বাড়ির মালিক লেনার বাড়িতে তিনজন লােক পাঠাতেন। তারা নিয়ে আসত সদ্য ধােয়া বিছানার চাদর, টাওয়েল, গদি এবং পরিষ্কাৰ ৰাসন। ঘর পরিষ্কার করা বিছানা ঝেড়ে দেওয়া, গ্যাসের ষ্টো পরিষ্কার করা, স্নানাগার ব্যাট দেওয়া সবই এদের কাজ। যারা ফারনিষ্ট রুমে থাকেন বাড়ির মালিক এসব কাজ করে দেয়। ভাড়াও বেশি নয় সপ্তাহে বত্রিশ ডলার। আসল কথা হল সপ্তাহে