পাতা:আমেরিকার নিগ্রো - রামনাথ বিশ্বাস.pdf/৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমেরিকার নিগ্রো কোন গন্ধ থাকে তবে সেটা নিগ্রোগন্ধ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের মত নিগ্রো যখন শ্বেতকায়দের পাশ কাটিয়ে যায় তখন আমেরিকানরা নাকে রুমাল দেন। সেই রুমালে হাজারাে রকমের দুর্গন্ধ থাকুক তাতে কিছু আসে যায় না, কিন্তু নিগ্রো দেখলেই নাকে রুমাল দিতে হয় সেটা নিয়ম কি আভিজাত্য বলা কঠিন ব্যাপার। তারপর চোখ, এ দুটোকে নিয়ে মহাবিপদে পড়েছি। বেশ বড় বড় চোখ দুটো, এ রকম চোখ হাসমাইট অথবা সিমাই স্ত্রীলােকদেরই। হয়। অনেকে মনে করে সব সময়ই যেন ইসারা করছি। বেগতিক দেখে রঙ্গীন চমা ব্যবহার আরম্ভ করেছি। চোখ না থাকলে দেখতে পাবনা, নতুবা কোন দিন দুটো চোখকেই উপড়ে ফেলতাম। বুকের বেড় আর্টচল্লিশ ইঞ্চি ত হবেই। একটু ভাল খেলে হয়ত আরও বাড়ত, কিন্তু ভাল খাওয়া দূরের কথা অনেক দিন রুটিরও সংস্থান হয় না, তাও আবার শীতকালে। শীতকালে কম খাওয়া মানেই মৃত্যু বরণ করা। কিন্তু কি করা যায়, তখন। আমাদের বেকার থাকতে হয়। নিগ্রোদের বেকার থাকলে সি, আই, ও, অথবা এফ অব এল কোন সাহায্য করে না। সাহায্য করে কর্তা মহাশয়গণ, দয়া করে যদি প্রাণে না মার তবেই মনে করব অত্যধিক বদান্যতা দেখিয়েছ।” | লােকে বলে আমার দুটো হাত নাকি নরডিকদের মত, একেবারে আজানুলম্বিত। পাড়ার মনিব শ্রেণীর লোেক ঠাট্টা করে বলেন আমার হাত দুটো সিম্পাঞ্জীর মত। তারা ঠিকই বলেন, নিগ্রো কালাে হােক, কুচকুচে কালাে হােক আর শ্বেতকায়দের মত সাদা হােক, আমরা সিম্পাঙ্গীর মতই আমেরিকানদের কাছ থেকে ব্যবহার