পাতা:আমেরিকার নিগ্রো - রামনাথ বিশ্বাস.pdf/৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আমেরিকার নিগ্রো পরিশ্রম করে, তবুও তার শরীর থেকে যৌবনের কম্বল খসে পড়ে না। ম্যাক যদি কুৎসিত হত, তবে তার দিকে কেউ তাকাত না, তার লিঞ্চ হবার ভয়ও ছিল না। এত করেও ম্যাকের যৌবন যাচ্ছে না, এবার আমার মরণ ছাড়া আর গতি নাই। এবার উইলী বললে, “ম্যাকের মরণ ভয় যদি না থাকে তবে আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন? নিশ্চয়ই বেঁচে থাকব। যা বল তাই করব, তােমরা কি ম্যাককে বাঁচাতে পারবে? উইলী ঈশ্বরের নামে শপথ করে বলল, সে ম্যাককে বাঁচাবে এবং এক ঘণ্টার মধ্যে ম্যাক সহরের দিকে রওয়ানা হবে। সেখানে ম্যাকের মত অনেক যুবক আছে। কেউ তাদের দিকে তাকায় না। অবশ্য সেজন্য আপনাকেও কাজ করতে হবে। কাল সকালে সহরের দিকে রওয়ানা হতে পারবেন কি? | মিসেস ম্যাক “পারব, পারব” বলে অস্ফুট স্বরে চীৎকার করে উঠলেন এবং বিছানা থেকে উঠে ম্যাকের ঘুম ভাঙ্গাতে প্রবৃত্ত হলেন। ম্যাক ঘুম হতে উঠেই দুজন পরিচিত লোকের মুখ দেখতে পেয়ে আনন্দিত হল। সর্বপ্রথমই উইলী ম্যাককে জিজ্ঞাসা করল, “এদিকের সব শ্বেতকায় মেয়েই কি তােমাকে চায়?” | অনেকটা তাই, দু এক দিনের মধ্যে এখান থেকে সরতে হবে নয়ত মরণ অনিবার্য। এখানকার কেরাণীর বােনটা সব সময়ই আমার দিকে চেয়ে থাকে এমন কি তুলার বাগানে গিয়ে আমার হাত ধরে টানে। আমি কিন্তু সব সময়ই অবহেলা করে মেয়েটার হাত সরিয়ে দিই। আমার মনে হয়, যাদের অভাবের তাড়না নেই, । । - ।।