প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


بابیجیتیجیجیمse আর্য্যদর্শন H আষাঢ় ১২৮২ । | অভাব। গ্রন্থকার কত দিন | হয়। তাহার তুলিক। যেমন নিৰ্ভত, হইতে কত ঘটনাসমূহের যোজনা করেন, | তেমনি মুকুমার। সে তুলিকায় সরলতা | কিন্তু কি জন্য যোজনা করেন অনেক ও কমনীয়তার সোঁকুমাৰ্য্য যেমন বিক | স্থলে আমরা তাহ বুঝিতে পারি না। শিত হইতে পারে, মহত্বের গৌরব এবং ঘটনার অবলম্বনে ব্যক্তিগণের চরিত্র ও প্রকাণ্ডত তেমনি বিভাসিত হইতে হৃদয়ের ভাববেগ বিকাশ করা উপন্যাস পারে। তাহাতে কুহুমের সৌন্দৰ্য এবং কারের প্রধান কাৰ্য ন ঘটনার স্রোত। সিংহের পরাক্রম উভয়ই প্রকটত হইতে সকল এরূপ সঙ্গমে মিলিত হওয়া চাই, পারে। সে তুলিকার রেখা সকল কখন | যেন তথায়, স্রোতপ্রতাড়িত ব্যক্তিগণের স্বকুমারভাবে সঙ্কুচিত হয়, কথন সাহস- লীলা ও কাৰ্য্য, চেষ্টা ও বিক্রম বিশেষ ভরে প্রসারিত হয় । সে রেখার অঙ্ক- রূপে প্রকাশিত হয়। আধুনিক উপপাত কথন হুঙ্ক কখন স্থল। এমির | ন্যাসের এইটি প্রধান ধৰ্ম্ম । মানবরেখা কত স্বক্ষ, হেলেনার কেমন উজ্জ্বল ঘটনায় নীয়মান হইবার জন্য নহে, চিত্রকর হস্ত নিঃস্থত তাহা স্পষ্টই প্রতীত ও অপেক্ষাকৃত স্থল ! বিজয়ের রেখা | কেমন জটিল, চারুর কেমন সাহসী! কিন্তু | সৰ্ব্বাপেক্ষা পাড়েজীর রেখা কেমন স্থল ও প্রসারিত ! এমির চিত্রে মাধুৰ্য্য আছে, হেলেনার চিত্রে ঔজ্জ্বল্য অাছে। বিজয়ের চিত্রে পাপের মলিনতা আছে, এবং চারুর চিত্রে মহত্বের গোবৰ আছে। কিন্তু পাড়েজীর চিত্রে গাম্ভীৰ্য্য কেমন নিগুঢ়ভাবে অবস্থান করিতেছে । কবি { সত্যই বলিয়াছেন বিবাহীর্থ এমি, প্রণয়ার্থ হেলেন । আমরা আবার বলি, মন্ত্রণার জন্য বিজয়, কার্য্যের জন্য চারু 1थद१ अत्रश्रठि श्वांद्र छना *ीएफ़र्छौ । আমার পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, গ্রন্থকার চরিত্রসকল সম্যক বিস্কারিত করিতে 1পারেন নাই। ইহার কারণ মুসন্ধান করিলে দেখিতে পাওয়া যায় যে র্তাহার উপন্যাসে ঘটনার যেমন প্রাচুর্য্য, কার্যের কিন্তু নীয়মান হইয়া কিরূপ ব্যবহার ও কার্য্য করে তাহাই প্রকটন করা উপন্যাসের প্রয়োজন। চিত্তবিনোদিনীতে ঘটনার স্রোত প্রবাহিত হইয়া যে সমস্ত কাৰ্য্যক্ষেত্ৰ দিয়া বহিয়া গিয়াছে, তাহার অনেক ক্ষেত্রই কর্ষিত হয় নাই । কর্ষিত হইলে বিস্তর শস্য উৎপাদিত হইত, দেশের এরং মদীরও শোভা বৃদ্ধি হইত। কিন্তু ক্ষোভের বিষয় এই কবি এ সমস্ত অবসর উপেক্ষা করিয়া গিয়াছেন। মানবের মুখে সাদৃশ্য বিস্তর, প্রভেদ ও বিস্তর। দুজনের মুখ কখন সম্পূর্ণ সমান নয়, কিন্তু দুজনের মুখে এত সোসা সাধারণ আদর্শ দর্শনে সংগঠিত হইয়াছে । কলিকাতা নগরীতে অসংখ্য লোকের বাস, কিন্তু কাহাকেও অপর লোক বলিয়া जांखि जनिदांद्र मखांदनां मारें । मूत्व দৃশ্য আছে, যেন সেই মুখস্বয় কোন ৷