প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৩২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ধৰ্ম্মনীতি । ১২৩ اهدا ۲ | সীমাবদ্ধ না থাকিয়া, নিরস্তর নানা দেশ পৰ্য্যটন করে ; তাহাতে তাহাদিগের মনে স্বাধীন হইবার ইচ্ছা জন্মে। বিশেষতঃ বিদেশ ভ্রমণে ও সমুদ্রযাত্রায় প্রায়ই নানা কষ্ট ও সঙ্কট উপস্থিত হয় ; তাহাতে বণিকেরা যত অভ্যস্ত হইতে থাকে, ততই তাছাদের মন अग्निलिङडाद ও অনাকুলিতত্ব ধারণ করে। অতএব আমরা দেখিতে পাই যে স্বার্থপরতা, স্বাধীনত। ও ধৈর্য্য ইংলণ্ডের জাতীয় চরিত্রের প্রধান উপকরণ। ইংল ও স্বার্থপর কিন্তু অন্যগুভদ্বেষী নছেন ; ইংলণ্ড স্বাধীন কিন্তু অন্যকে স্বাধীন দেখিয়া ঈর্ষ্যাপরবশ হন না ; ইংলণ্ড ধৈর্য্যসম্পন্ন কিন্তু অন্যের দুঃখ মোচনার্থ ঔদাসীন্য প্রকাশ করেন না। এইরূপ লামঞ্জস্য থাকাতেই ইংলণ্ডের এত ঐশ্বৰ্য্য ও গৌরব বৃদ্ধি হইয়াছে। ইংলণ্ড স্বাঃপর বটেন, কিন্তু আর কোন জাতি, | দাসত্ব প্রথা ও দাসব্যবসায় রহিত করি বার জন্য, এত অর্থব্যয় ও কষ্ট স্বী| কার করিয়াছেন ? আর কোন জাতি দুর্ভাগ্য রাজগণের প্রতি এত আতিথেয়তা | প্রদর্শন করিতে পারিয়াছেন ? ইয়ুরোপে | অপমানের ক্ষালণাৰ্থ দ্বন্দ্বযুদ্ধ প্রথা বরাবর | প্রচলিত ছিল। উহা অধুনা সভ্য সমাজ श्हेंtउ 4क थंकांज़ ब्रश्ऊि इट्टेग्नाटझ । किड़ | पनि ८कॉन छांङि ञमा यांडिङ्ग अदभानना করে, যুদ্ধ ব্যতীত তাহার প্রতিকার নাই। | শোণিত বর্ষণ ব্যতীত জাতীয় অবমাননার | अन१ इज़ न ७ई भङ cशमन अनडा R= om বেগুলি, গখ, ফাঙ্ক, নর্থমান প্রভৃতির মধ্যে প্রচলিত ছিল, অধুনাতন সভ্য সমাজেও তদ্রুপ রহিয়াছে। কিন্তু দুই বৎসর গত হইল ইংলও মধ্যস্থ মানিয়৷ মার্কিনদিগের সহিত বিবাদ ভঞ্জন করিয়া যে মহৎ দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করিয়াছেন, পৃথি বীর ইতিহাসে তাহার তুলনা নাই এবং তদ্বারা ইংলণ্ডের ধৈর্য্যগুণের পরাকাষ্ঠী প্রকাশ পাইয়াছে । ইংলণ্ডের উক্তপ্রকার জাতীয় চরিত্র তাহার ধৰ্ম্মনীতিবি ষয়ক গ্রন্থে সুস্পষ্টরূপে প্রতিবিম্বিত আছে। মহাত্মা বেন্থাম, ইংলণ্ডের ধৰ্ম্মনীতিকে বাইবলের ক্ষমতা হইতে নির্মুক্ত করিয়া । সম্পূর্ণ পৃথক করিয়া দিয়াছেন। তিনি । “হিতবাদ” নামক মতের আদি গুরু । । তৎপরে মিল প্রভৃতি মনীষিগণ ইহার প্রসাধন ও পুষ্টি সাধন করিয়াছেন। এই মত অনুসারে যাহাতে নিজের ও সমাজের স্বার্থ ও হিতসাধন হয়, তাহাই সৎ ও কর্তব্য ; তদ্বিপরীত কার্য্য অসং ও পরিহর্তব্য । সদসদঙ্গান মনুষ্যের স্বভাবসিদ্ধ নহে ; তাহা ক্রমে ভূয়োদর্শন হইতে উৎপন্ন হয়। ভূয়োদর্শনে যে কাৰ্য্য অধিকাংশ লোকের হিতকর বলিয়া বোধহয়, তাহাই বৈধ, আশ্ব যাহা অধিকাংশ লোকের অনিষ্টজনকৰূপে প্রতীত হয়, তাহা অবৈধ। সুতরাং সমাজের ইষ্টসাধন ব্যতীত ধৰ্ম্ম ও পুণ্য নাই ; এবং সমাজের অনিষ্ট সংঘটন ভিন্ন পাপ ও অধৰ্ম্ম নাই। কোমৃত ও । বেস্থাম, উভয়েরই মতে সমাজ প্রধান । লক্ষ্য। তবে কোমৃত স্বার্থের প্রতি দৃষ্ট ।