প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আষাঢ় ১২৮২। । - o لنعتشتتسع باستان سیستای সাংখ্যদর্শন । , করিয়াছেন। সাংখাকারিক সৰ্ব্বসমেত ৭১টি আর্য্যা শ্লোকে নিবদ্ধ। এই ৭২ টি | আর্যাতে ঈশ্বরকৃষ্ণ সমুদয় সাংখ্যদর্শনের সার সংগ্ৰহ করিয়াছেন । এই সংখ্যকারিকার উপর সমৃদয়ে চারিটি টীকা লিখিত হষ্টয়াছে। প্রথম টীকা গৌড়পাদবিরচিত। এই গোঁড়পাদ সমুদয় উপনিষদের টীকাকার বলিয়া প্রসিদ্ধ। সুপ্রসিদ্ধ শঙ্করাচাৰ্য্য ইহার অনুশিষ্য ছিলেন । গৌড়পাদপ্রণীত টীকার নাম সংখ্যভtষ্য । দ্বিতীয় ইহা নারায়ণতীর্থবিরচিত । তৃতীয় টীকার নাম সাংখ্যতত্ত্বকৌমুদী। ইহা মিথিলার (ত্রিহুত ) অধিবাসী বাচস্পতি মিশ্র কর্তৃক বিরচিত । সাংখ্যতত্ত্বকৌমুদী কারিকার যাবতীয় টীকার মধ্যে সৰ্ব্বোৎকৃষ্ট । চতুর্থ টীকার নাম সাংখ্যকৌমুদী । ইহা বঙ্গবাসী রামকৃষ্ণ ভট্টাচাৰ্য্য প্রণীত। রামকৃষ্ণ নিজ গ্রন্থে বাহুল্যরূপে নারায়ণতীর্থের মত নিবদ্ধ করিয়াছেন। সাংখ্যপ্রবচন ও তত্ত্বসমাস এই দুই খানি সাংখ্যদশনের মূল গ্রন্থ হইলেও ঈশ্বরকৃষ্ণের কারিক ও তদুপরি বাচস্পতিমিশ্র ও | গৌড়পাদের টীকা এই কয়খানি গ্রন্থ। এক্ষণে এতদূর লব্ধপ্রতিষ্ঠ হইয়াছে,যে মূল স্বত্র অধ্যয়ন করা সাংখ্যজিজ্ঞাস্থর অধুন | অত্যাবশ্যক বলিয়া মনে করেন না। উপরিভাগে যে কয়খানি গ্রন্থের নামোল্লেখ করা হইয়াছে, অধুনা সাংখ্যাশন বিষয়ে সেই কয়খানি ব্যতীত অন্যান্য গ্রন্থ প্রচ निङ मारे। उल्लिपिङ গ্রন্থসমূহের মধে টীকার নাম সংখ্যচন্দ্রিকা। । ইতস্ততঃ রাজবাৰ্ত্তিক প্রভৃতি অন্যান্য | কয়েকখানি গ্রন্থের নামোল্লেখ দেখিতে | পাওয়া যায় বটে, কিন্তু প্রকৃতপ্রস্তাৰে । তাহার একখানি ও দেখিতে পাওয়া যায় না। মহর্ষি কপিল কোন সময়ে প্রান্তভূর্ত হইয়াছিলেন,এক্ষণে তাহা নির্ণয় করি বার কিছুমাত্র উপায় নাই। শঙ্করাচার্য ও } বাচস্পতি মিশের গ্রন্থসমূহের মধ্যে কু ত্ৰাপি সাংখ্যস্থত্রের উল্লেখ দেখিতে পাওয়া 1 যায় না, অনেকানেক ইউরোপীয় পণ্ডিত এইরূপ সিদ্ধান্ত করিয়াছেন যে স্বত্রসমূহ শঙ্করাচার্য প্রভৃতির অধস্তন । ই হাদিগের } মতে কোন ধূৰ্ত্ত পণ্ডিত স্বত্রগুলি স্বয়ং রচনা করিয়া প্রাচীনত্ব সংস্থাপন করিবার ইচ্ছায় | উহা মহর্ষি কপিলের রচনা বলিয়া প্রচার করিয়াছেন। কপিল ও পতঞ্জলি মহর্ষিদ্বয়ের | প্রাচুর্ভাৰ কাল নির্ণরের জন্য আমরা বারা স্তরে যথাসাধ্য চেষ্টা করিব। সাংখ্যদর্শনের | তাৎপর্যা পর্যালোচনা করাই এই প্রস্তাবের | डेमो । কপিলপ্রণীত সাংখ্য ব্যতীত পতঞ্জলি প্রণীত যোগশাস্ত্রের সাধারণ নামও সাংখ্য | দর্শন। পতঞ্জলি মহাভাষা নামক সুপ্র সিদ্ধ ব্যাকরণটীকা রচনা করিয়াছিলেন | ৰলিয়া খ্যাতি আছে। পতঞ্জলি প্রণীত | যোগস্থত্রসমুদায় চারি ভাগে বিভক্ত। | এই চারিটীর এক একটীর নাম পাদ । প্রথম পাদে সমাধি অর্থাৎ ধ্যানের বিষয় নির্ণত হইয়াছে। দ্বিতীয় পাদে সমাধি লাভের উপায় নির্ণীত হইয়াছে। তৃতীয় পাদে কি প্রকারে বি ১৩৫ | ভূক্তি অর্থাৎ আলোক : ,