প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


{ আষাঢ় ১২৮ং। SAAA L A SAS SSAS SSAS সাংখ্যদর্শন। ১৩৭ } | তাহ নির্ধারণ করা। সাংখ্যদর্শনের প্রথম স্বত্রে দুঃখের অত্যন্ত নিবৃত্তিকে পরম পুরুষাৰ্থ বলিয়া নিৰ্দেশ করা হইয়াছে, এই দুঃখনিবৃত্তি তত্বজ্ঞান দ্বারা মৃত্যুর পূৰ্ব্বে হইতে পারে, পরেও হইতে পারে। লেদের অন্যতম স্থানে লিখিত আছে, যে আত্মা ও প্রকৃতির পরস্পর পৃথকৃত্ব জ্ঞান জন্মিলেই তত্ত্বজ্ঞানলাভ হয়, তত্ত্বজ্ঞান জন্মিলেই | প্রেত্যভাব জন্ম মৃত্যুর হস্ত হইতে অনন্ত, কালের নিমিত্ত পরিত্রাণ পাইতে পারা যায় । বেদের এই উক্তিকে মূলমন্ত্রস্বরূপ গ্রহণ করিয়া বৈদান্তিক নৈয়ায়িক প্রভৃতি যাব তীয় দার্শনিকেরা নিজ নিজ মতানুসারে নিৰ্ব্বাণমুক্তির উপায় নির্ণয় করিয়াছেন। रुशङ: झूःथनिबूडिझे भन्नुहाभारखब्रई कब्रभ উদ্দেশ্য, তাহাতে আর কিছুমাত্র সংশয় নাই। ভারতবর্ষীয় চাৰ্ব্বাক ও গ্রীকদেশীয় এপিকিউরিয়ুস ইহঁরাও দুঃখনিবৃত্তিকেই পরমপুরুষাৰ্থ বলিয়া নির্দেশ করিয়াছেন, তবে তাহারা দুঃখনিবৃত্তির উদ্দেশে যে উপায় অবলম্বন করিয়াছিলেন তাহ অন্যান্য দার্শনিকদিগের মতে ভ্রান্ত ও নিষ্ফল । কিন্তু জ্ঞানের চরম উদ্দেশ্য যে দুঃখনিবৃত্তি তাহাতে আর মতভেদ নাই।' সুপ্রসিদ্ধ গ্রীসদেশীয় দার্শনিক | পাইথাগোরস ও প্লেটো স্পষ্টক্ষরে নিদেশ করিয়াছেন যে আত্মাকে কাম, | ক্রোধ, শোক, লোভ, মদ, মাৎসৰ্য্যাদি সংসারের বন্ধনসমূহ হইতে মুক্ত করিতে | পারলেই যুক্তির পথে অগ্রসর হইতেপার {া। অন্যান্য সকল প্রকার দর্শনের নাম দুঃখনিবৃত্তিই সাংখ্যদর্শনেরও মুখ্য উদেশ্য। প্রথম স্বত্রের তাৎপৰ্য্য এই যে ত্ৰিবিধ দুঃখের অত্যন্তনিবৃত্তিই পরম পুরুষাৰ্থ । * সাংখ্যদর্শনের মতে দুঃখ ত্রিবিধ,-আধ্যাত্মিক, আধিভৌতিক, ও আধিদৈবিক। যে দুঃখের কারণ আত্মা । তাহার নাম আধ্যাত্মিক দুঃখ। ইহা দুই প্রকার শারীর ও মানস। পীড়াদিসমুখ দুঃখের নাম শারীরিক দুঃখ । উন্মাদ, শোক প্রভূতি মানসিক দুঃখ। যে ব্যক্তি দুঃখ (डाश करन, उड़िम अश्रव्र खैौद खरु cए | ছঃখের কারণ, তাহার নাম আধিভৌতিক দুঃখ । ব্যাঘ্ৰাদিদংশন বা চোরের উপদ্রব এই সমুদয় আধিভৌতিক দুঃখ । দৈব যে দুঃখের কারণ তাহার নাম আধিদৈবিক দুঃখ। দাহশীতাছখ্য দুঃখের নাম আধি দৈবিক দুঃখ। যদ্যপি সৰ্ব্বপ্রকার দুঃখই । প্রকৃতপ্রস্তাবে মানস অর্থাৎ মনের দ্বারা । অনুভূত, তথাপি সাংখ্যের কারণভেদে দুঃখের বিভিন্নত। বর্ণন করিয়াছেন। অতীত ও বর্তমান দুঃখ যখন উৎপন্ন হইয়াছে তখন অবশ্যই নিবৃত্ত হইবে। অতএব সাংখ্যদর্শনের মতে বর্তমান ও অতীত দুঃখের নিবারণার্থ চেষ্টা করিবার প্রয়োজন নাই, কেবল ভবিষ্যৎ দুঃখই সাংখ্যদিগের বিবেচনার বিষয়। কি প্রকারে ভবিধাতে কোন প্রকার দুঃখ ভোগ করিতে না হয় । তাহার উপায় নির্ণয় করাই শাস্ত্রের উ । দ্দেশ্য। এক্ষণে প্রশ্ন হইতেছে কি উপায় • অর্থ ত্ৰিবিহিঃখাতান্তনিবৃত্তিরত্যন্ত্র পুরষার্থঃ । ১ + ' ' - ங்கள்