প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- | শ্রাবণ ১২৮২ | | | জৈনধৰ্ম্ম । ל"לל সহিত একত্র বিদ্যমান থাকা সম্ভব, | ইত্যাকার সন্দেহের কোন প্রকারেই নিয়াকরণ হইতে পারে না । পৃষ্ঠীর নবম শতাদের শেষ ভাগ অপেক্ষ অধিক পূর্বের একখানিও লিপি দেখিতে পাওয়া যায় না। মহীশূরের অন্তর্গত | হোমটী নামক ক্ষুদ্র রাজ্যের রাণী কর্তৃক প্রদত্ত লিপিই এই সমুদরের মধ্যে সৰ্ব্বা | পেক্ষা প্রাচীন। এই লিপিও উল্লিখিত সময় অপেক্ষ অধিক পূৰ্ব্বের নহে। বল্লালবংশীয় রাজগণ কর্তৃক প্রদত্ত কয়েক | খানি লিপি ও মেকিঞ্জিসাহেব সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন। কিন্তু ইহাদের মধ্যে একখানিও একাদশ শতাদের উৰ্দ্ধতন মহে। সকলগুলিই একাদশ ও দ্বাদশ | শতাদের মধ্যবৰ্ত্তী সময়ে প্রদত্ত। উক্ত | সংগ্রহের মধ্যে এতদ্ব্যতীত আর যতগুলি খোদিত অনুশাসনলিপি বা দানপত্র প্রভৃতি | দেখিতে পাওয়াযায়। তৎসমুদয়ই সপ্তদশ, অষ্টাদশ, ও উনবিংশ শতাদের অন্তৰ্ব্বস্ত্রী কোন না কোন সময়ের পদার্থ, উছ | অপেক্ষা উৰ্দ্ধতম মহে। উপরি উল্লিখিত প্রমাণাদির বিষয় - পর্যালোচনা করিলে অপরিহার্ষ্যরূপে প্র ! जैडि श्रदcय, जनभई दिषरा गांदउँौग्न শ্রন্ধেয় প্রমাণ পাওয়া যায়, তৎসমু দয়ের সাহাঙ্কে কেবল এইমাত্র সিদ্ধান্ত করিতে পারা যায় যে, জৈনধর্ণ ८ोकृि মেকিঞ্জিসাহেব জৈনধৰ্ম্মঘটত সন্ত| সংখ্যক খোদিত লিপি সংগ্ৰহ করিয়াছিলেন। মেকেঞ্জিকৃত সংগ্রহের মধ্যে নিষ্ঠুর, ব্যবহার করে, ভারতবর্ষবাসী । ধৰ্ম্ম অপেক্ষাকৃত অনেক আধুনিক পদার্থ। ऐछनज्ञ श्रृष्टीग्न अडेभ ७ नंदभ भंडारल সৰ্ব্বপ্রথম ভারতের নানাস্থানে গন্ধগ্রসর ইষ্টয়াউঠে। যৎকালে বৌদ্ধধৰ্ম্ম প্রবল প্রতাপ ছিল, তখন জৈনদিগের সম্প্রদায়, বৌদ্ধসম্প্রদায়ের একটা শাখাস্বরূপ ছিল, পরে বৌদ্ধধর্মের বিলোপসাধন হইলে জৈনের ক্রমশঃ লব্ধপ্রতিষ্ঠ হইয় উঠে। ফলতঃ বৌদ্ধধৰ্ম্মের উচ্ছেদ বিষয়ে শৈব, বৈষ্ণব প্রভৃতি হিন্দুসম্প্রদায় যেরূপ অধিরত চেষ্টা করে, জৈনসম্প দায় ও তদনুরূপ অবিশ্রান্ত চেষ্টা করিয়াছিল। দক্ষিণাত্য অঞ্চলে এই বিষয় প্রসঙ্গে যে সকল কিম্বদন্তী প্রচলিত আছে, তৎসমুয়ের । তাৎপৰ্য্য পর্যালোচনা করিলেও আমাদিগের সিদ্ধান্তেরই সমর্থন হইবে । কাঞ্চীনগরীতে যে সকল বৌদ্ধ বাস করিত, অকলঙ্কনামক এক জন জৈন পুরোহিত তাহাদিগের সহিত এরূপ বাদবি তণ্ডা করিয়াছিল, যে বেন্ধের অবিলম্বেই কান্ধী হইতে নিৰ্ব্বাদিত হয়। মধুরারাজ বয়পাণ্ড জৈনধৰ্ম্ম অবলম্বনপূর্বক বৌদ্ধনিগের প্রতি এরূপ অত্যাচার করিয়াছিলেন, যে বেীদ্ধের প্রাণভয়ে তথা হইতে পলায়ন করে। গুজরাটের রাজগণ ও বৌদ্ধধৰ্ম্ম পরিত্যাগ পূর্বক জৈনধৰ্ম্মাবলম্বন করিয়া বেছিদিগের প্রতি নিৰ্দ্দয়ভাবে অত্যাচার করিতেন। ফলতঃ ইংলণ্ড প্রভৃতি পশ্চাত্য প্রদেশের অধিবাসীরা খৃষ্টীয় দ্বাদশ শতাদে তত্ৰত্য য়িহুদীদিগের প্রতি যেরূপ