প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/১৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


:

  • *

--I-T - ' . . . . . . * بیبیسی -سیس۔ | শ্রাবণ ১২৮২৷ জৈনধৰ্ম্ম । পূর্বক বৌদ্ধধৰ্ম্মের আশ্রয় গ্রহণ করে, তাহারা শত শত প্রায়শ্চিত্ত্ব করিলেও | হিন্দুসমাজে পুনঃপ্রবেশ করিতে পারেনা। ফলতঃ বৌদ্ধদিগের সমাজে জাতিভেদের কিছুমাত্র লক্ষণ দেখিতে পাওয়া যায় না ; | কিন্তু জৈনের তাপনাদিগকে ক্ষত্রিয় বা বৈশ্যজাতীয় বলিয়া সাধারণ্যে নির্দেশ করিয়া থাকে। কিন্তু বৌদ্ধদিগের সহিত বিবাদে প্রবৃত্ত হইবার পরই জৈনেরা জাতিভেদ স্বীকার করিতে আরম্ভ করিয়াছে, | নতুবা পূৰ্ব্বে জৈনধৰ্ম্মে প্রবেশ করিলে | পর আর জাতিবিচার করিবার নিয়ম ছিল { না, বৌদ্বদিগের প্রভাবদলনার্থ হিন্দুদিগের { সহিত মিলিত হইবার সময়েই জৈনের 1 হিন্দুধৰ্ম্মাবলম্বীদিগের সহিত দৃঢ়বদ্ধ মৈত্রী | সংস্থাপনের উদ্দেশে জাতিভেদ স্বীকার করিতে আরম্ভ করিয়াছিল। উপরে যাচা লিখিত হষ্টল তদারা জৈনধৰ্ম্মের উৎপত্তি বিস্তৃতি প্রভৃতির বিষয় যথাসম্ভব বুঝিতে পারা যাইবে, অতঃপর আ] मद्र। জৈনধৰ্ম্মের মূলস্বত্র এবং জৈনধৰ্ম্মের | প্ৰবৰ্ত্তয়িত মহাবীর প্রভৃতি সিদ্ধপুরুষ| দিগের বিষয় অনুসন্ধান করিতে প্রবৃত্ত হইলাম । - জৈনধৰ্ম্মাবলম্বীর কতিপয় নির্দিষ্ট 1ণ্ডণবিশিষ্ট সিদ্ধপুরুষদিগকে দেবতাবোধে অৰ্চনা করিয়া থাকে। নৱপূজা { জৈনধর্মের একটা প্রধান অঙ্গ। নর| পূজাবিধি জৈনধর্মের ন্যায় বৌদ্ধধর্শেরও অঙ্গস্বরূপ বটে, কিন্তু এবিষয়ে জৈনের |বৌদ্ধদিগের অপেক্ষ অনেক অগ্রসর। | বেীদ্ধেরা শত সহস্র বুদ্ধ অর্থাৎ সিদ্ধপু রুষের নামোল্লেখ করিয়া থাকে বটে, | কিন্তু ইহার সাত জন মাত্র এইরূপ পুরুষের আরাধনা করিয়া থাকে। কিন্তু জৈনেরা সৰ্ব্ব সমেত চব্বিশ জন সিদ্ধপু রুষকে দেবতাবোধে আরাধনা করে। हैशद्र अनानि अनख कांशटक फूङ, ভৰিষ্যৎ, ও বর্তমান, তিন যুগে বিভক্ত করিয়া প্রত্যেক যুগে চব্বিশী করিয়া সৰ্ব্বসমেত ৭২টা সিদ্ধপুরুষের কল্পনা করিয়া থাকে। যাবতীয় জৈনমন্দিরে এই সকল সিদ্ধপুরুষের প্রতিমূৰ্ত্তি প্রতিষ্ঠিত থাকে। সমুদয় সিদ্ধপুরুষদিগের মধ্যে বর্তমান যুগের ত্রয়োবিংশ ও চতু বিংশ পুরুষই জৈনধৰ্ম্মাবলম্বীদিগের সবিশেষ ভক্তি ও শ্রদ্ধার ভাজন। পাশ্বনাথ ব্রয়োবিংশ ও মহাবীর চতুৰ্ব্বিংশ সিদ্ধপুরুষ। উত্তরপশ্চিম প্রদেশ ও দাক্ষিণাত্য প্রভৃতি প্রদেশের যাবতীয় জৈনমন্দিরে এই পাশ্বনাথ ও মহাবীরের মূৰ্ত্তি প্রতিষ্ঠিত আছে, এবং জৈনের মহাসমারেন্থে উহাদিগকে পূজা করিয়া থাকে। যে সকল অলোকসাধারণ গুণের অধিকারী হইলে জৈনেরা কোন বিশেষ মনুষকে সিদ্ধপুরুষ বলিয়া পূজা করিয়া । থাকে, তৎসমুদয় জৈনদিগের ধৰ্ম্মশাস্ত্রে সবিস্তরে বর্ণিত আছে। মহাপুরুষ জগৎ প্রভু, অর্থাৎ জগৎসংসারের অধীশ্বর; ক্ষীণকৰ্ম্ম অর্থাৎ ইহঁর পক্ষে যাগহোমাদি বেদবিহিত কাৰ্য্য অনাবশ্যক ; মহাপুরুষ 靜 5.8 . . . . . . . . . o-' . . . . -- - o'-'. -, ... ام موالا সৰ্ব্ব জাংস্কৃত, ভৰিবাং ও বর্তমান .