প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/২১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


^*, | রিত রাখিতে চাহেন, এবং সেই ভাবে

io بیبیسی بیسیسیسیایی ایبیبیسیسیح ভাত্র ১২৮২৷ - দুর্গোৎসব t কতিপয়গুণসমষ্টি মাত্র বলিয়াকল্পনা করেন । অথচ তাহাতে ব্যক্তিত্ব আরোপ করেন। এরূপ মানসিক ব্যক্তিত্ব ভাব অপেক্ষা সাকার দেবতা সহস্ৰগুণে শ্রেষ্ঠ ; বাস্তবিক র্যাহার সাকার দেবতা পূজা করিতেছেন, । o - ऊर्शित ফে-সেই দেবতা নিরাকার বলেন । না এমত নহে। তন্ত্র উহার এই মাত্র { বলেন, যে পূজার পক্ষে দেবতার কল্পনা করাই শ্ৰেয়ঃ কল্প। তাহঁতে ] তাহাদিগের দেবভাবের কিছুই বিপৰ্য্যয় ঘটে না । মানসিক এবং নিরাকার । ঈশ্বর কল্পনাকারিদিগের যে দেবভাব, পৌত্তলিকদিগেরও সেই দেবভাব। তবে | এ দুই দলের মধ্যে প্রভেদ এই, পৌত্তলিকের হৃদয়ের সহিত ঈশ্বরকে অচ্চনা করিতে পারেন,অন্যদলের লোকেরা তাহা পারেন না। র্তাহাদিগের ঈশ্বর কেবল মানসিক ভাব মাত্র, তাহাতে হৃদয় প্রধাदिङ श्ञ्ज न। ८न ब्रेषज्ञ (कुश" শুষ্ক কল্পনা মাত্র । তিনি মস্তিষ্কের ও মনের ঈশ্বর ; তিনি পণ্ডিতের ঈশ্বর ; হৃদয়ের সৰ্ছিত তাহার সম্পর্ক নাই। বাস্তবিক, পৌত্তলিকতায় যেমন মানব হৃদয়ের দেবভাব ও ঐশ্বরিক ভক্তি উদ্রিক্ত হয় এমত আর কিছুতেই হয় না। আমাদিগের সংস্কার এই মানবের যদি কোন ঈশ্বরকল্পনা যুক্তিসিদ্ধ বলিয়া অবধারিত হয়, মানব যদি স্বকীয় ঐশ্বরিক স্বষ্টির ভাব হৃদয়ে জাগ সৰ্ব্বদা জীবনপথে নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মিত তবে ליישר হইম্ভে চাহেন, এই যদি পৃথিবীর উৎকৃষ্ট ধৰ্ম্মপ্রণালী হয়, তৰে পৌত্তলিকতাই সেই ধৰ্ম্মপ্রণালীকে সর্বদা জীবিত রাখিবার প্রধান সাধন। সাধারণ লোকসমাজে ধৰ্ম্মভাব জীবিত রাথিবীর পক্ষে পৌত্তলিকতাই প্রকৃষ্ট উপায়। পৃথিবী হইতে পৌত্তলিকতা যেমন অবস্থত হইতেছে, ততই ঐশ্বরিক ভক্তিভাব এবং | 'ऍफंद्र औविड डाव ३न इहैछ जानिতেছে, ততই লোকের সাংসারিকতা ও বিষয়বাসনা প্রবৃদ্ধ হইতেছে - ইউ রোপীয় সমাজ ইহার প্রধান দৃষ্টান্ত স্থল । ইউরোপে যখন ক্যাথলিক ধৰ্ম্ম প্রচলিত ছিল, তখন বরং লোকে যাহাকে ধৰ্ম্ম বলে ইউরোপে তাহার কিছু ভাব বিদ্য. মান ছিল। এখন ইউরোপের সাধারণ লোfমাজে ধৰ্ম্মীবের অত্যন্ত হীন প্ৰস্থা। ংসারিদ্ধতাই অত্যন্ত প্রবল। এদেশেও দিন দিন যেমন পৌত্তলিকতার ठुज इ३उत्झ उउहे ४र्खडाब निखौरु | হইয়া পড়িতেছে। তৎপরিবর্তে যে হৃদয় বিহীন ও শুষ্ক মানসিক ঈশ্বরপূজা | প্রতিষ্ঠিত হইতেছে, আমরা বলি তদ্বারা পৃথিবীতে যাহাকে ধৰ্ম্মবলে সে ধৰ্ম্ম বরং ক্রমশঃ লয় প্রাপ্ত হইবে। দুর্গোৎসবাদি } পৌত্তলিক অচ্চ নাপ্রণালী প্রবর্তিত | থাকিলে, ঐশ্বরিক ভক্তিভাব পৃথিবীতে | জাগরিত থাকিবে, এবং লোকের অধিক তর ধৰ্ম্মভয় থাকিবে। এই ধৰ্ম্মভয় ও ভক্তি সুরক্ষিত করা যদি আবশ্যক হয়, =e+* ২০৯ | § ৗত্তলিকতা প্রবর্কিত রাখা সৰ্ব্বতো $