প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| | হইয়াছে। | প্রভৃতির নিয়মাদি ও মতামতের যে সত্য, o আর্য্যদর্শন ।

    • * ॉर्डिक ४२५२ ।।

অনুকরণের উদেশে নয়, সাদৃশ্য জনিত সৌন্দৰ্য স্বfষ্টর নিমিত্ত। অনুকরণ দ্বারা কখন কাব্য হইতে পারে না । | স্বষ্টি যেমন এক স্বষ্টি, কাব্য তেমনি স্বতন্ত্র স্বfষ্ট । - ' এক্ষণে সহজে বুঝা যাইতে পারে | কাব্য রচনার সার ও কৌশল কি। এককালে প্রকৃত এবং অপ্রকৃত বিষয়ের সমাবেশ ভিন্ন উৎকৃষ্ট কাব্য হয় না। পূর্বে উল্লেখ করা হইয়াছে কাব্যের সার সত্য, এবং সৌন্দৰ্য্য। বিদ্যমান ঘটনাবলির যে সত্য, তাহাই কাব্যিক ; এই নিমিত্ত তাহারই উল্লেখ করা তদ্ব্যতীত দর্শন, বিজ্ঞান তাহা কাব্যিক না হওয়ায়, তাহার উল্লেখ করা হয় নাই। সৌন্দর্ঘ্যের বিষয় যাহা বলা হইয়াছে, তাহ ব্যতীত অপর বহুবিধ প্রকারেও সৌন্দর্য্যের উৎপত্তি ও | বৃদ্ধি হইয়া থাকে। কিন্তু যাহা বলা হইল, | তাহ দ্বারাই বোধ হয় সৌন্দর্ঘ্যের উৎ পত্তির ভাব সাধারণতঃ একরূপ বুঝা | যাইবে । ". . . . . সৌন্দর্ঘ্যের বিশেষ তাৎপৰ্য্য বুঝিতে না পারাতেই, ক্ষুদ্র কবিগণ, সংসারের যত কিছু চাকচিক্য উজ্জ্বল গুণ বিশিষ্ট, তাহাই একাধারে পূরিতে থাকেন, | এবং তাহাদের আবার প্রকৃত সমাবেশ । অভাবে, আমাদের মন তাহাতে প্রবেশের পথ পায় না, এবং ঔজলোর ছটায় চক্ষু প্রতিহত হইয়Mপড়ে। প্রকৃত প্রতিভা শালী কবিরাই সৌন্দর্য্যের মূল তাৎপৰ্য্য বুঝিতে পারেন, এবং তাহদের প্রকৃত সমাবেশ কিরূপে করিতে হয়, তাহাও র্তাহীদের যেন স্বতঃসিদ্ধ জ্ঞান হয় ; কিন্তু সাধারণ পাঠকবর্গ তাহদের সৌন্দর্য্য রচনার প্রকৃত রসাস্বাদন করিতে না জানাতেই ক্ষুদ্রকবিদিগের ন্যায় ভ্রান্ত হইয়া, কাব্য মধ্যে কেৰল উজ্জ্বল চাকচিক্য গুণেরই অনুসন্ধান করিয়া থাকেন। আমরা এক্ষণে কাব্যের সার এবং মৌলিক বিষয়ে যৎকিঞ্চিৎ বলিলাম । কিরূপে, এবং কি কৌশলে, এই সত্য এবং সৌন্দর্য্যের সমাবেশে কাব্য গঠিত হয়, আমরা ক্রমে তদ্বিষয়ের আলোচনায় প্রবৃত্ত হইব । - ঐরামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়। } |