প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


করিয়া দিতেছে। | সমস্ত অনিষ্টাপাতের সম্ভাবনা তাহা সক | য়ায় যখন এই তরঙ্গ উত্থিত হইবে, | উন্নতির সম্ভাবনা নাই । আৰ্য্যদর্শন। २७ বৈশাখ ১২৮২ | পুরুষের জনসমাজ মধ্যে যে পরিমাণে পাপস্রোত প্রবাহিত ছিল, তাহ নিবারণ করিতে চেষ্টা করি, তেছে। এই বিতণ্ডায় তাহারা অনেক | সময় জ্ঞানবলে আপনাদিগের পক্ষ চমৎ- | কার কৌশলে সমর্থন করিতেছে। অনেক | বার তাহারা জয়লাভও করিয়াছে। | এদিকে পুরুষজাতি তাহাদিগের কলঙ্ক রটনা করিয়া কতই পুস্তক প্রচার করি তেছে। বামাগণ সেই সকল গ্রন্থের সন্ধুত্তর দিয়া আপনাদিয়ের দোষ ক্ষালন | করিতেছে। এখন এই জ্ঞানযুদ্ধ বহুকাল চলিবে । ইহার সূত্রপাত মাত্র এই । । আমাদিগের আশঙ্কা হইতেছে, ইহা হইতে ভবিষ্যতে ঘোর গণ্ডগোল উপস্থিত হইবে। সামাজিক বিপ্লবে যে লই ঘটবে। কিন্তু সেরূপ ঘটিয়া যদি পরিণামে মঙ্গল হয়, তাহাও শ্রেয়। ইউ. রোপে এই তরঙ্গ একদিন উত্থিত হইবে, ইহাও আমাদিগের বিশ্বাস । কিন্তু এদি তখন বোধ হয়, গ্রহে গ্রহে বিঘর্ষণ হইলে যেমন ভীষণ গোলযোগ হইবার সম্ভাবন তদ্রুপ ভয়ানক সামাজিক তুফানে দেশ আন্দোলিত করিয়া ঘোর প্রলয় উৎপন্ন করবে। এপ্রকার সামাজিক । বিপ্লব না ঘটিলে,ভারতবর্ষের কখন প্রকৃত প্রকৃত ধর্শের পথে সহস্ৰকণ্টক স্থাপিত। থাকুক, প্রকৃত সত্যের পথ ঘোর তমসায় সমাচ্ছন্ন থাকুক, প্রকৃত ন্যায়ের পথে । সহস্র প্রতিবন্ধক থাকুক, সে পথ ক্রমশঃ আবিষ্কৃত ও অবলম্বিত হইবেই হইবে, এই আমাদিগের ধ্রুব বিশ্বাস । পৃথিবী বহুকাল অজ্ঞানান্ধকারে আচ্ছন্ন থাকুক, বহুকাল ধরিয়া পাপকলুঙ্কুি ব্যবস্থাবলি তাহাতে প্রভূত্ব করুক, কিন্তু এমন্ত সময় উপস্থিত হইবে, যখন সেই তিমিরাবলি জ্ঞানবিভার ঈষৎ কটাক্ষে ক্রমে তিরোহিত হইতে থাকিবে, যখন ধৰ্ম্মের জয় এমত উচ্চরবে প্রতিঘোষিত হইবে যে সেই কলঙ্কিত ব্যবস্থাবলি লজ্জায় পলায়ন করিবার পথও পাইবে না। জনসমাজের শত সহস্ৰ লোক কেন কুপথে পদার্পণ করুক না, শতসহস্ৰ লোকে সমবেত হইয়া কেন কোন দূষিত মতের পোষকতা করুক না, কিন্তু সত্য মত যদি পৃথিবীতে একবার ক্ষীণরবেও ধ্বনিত হয়, সে রব ক্রমশঃ উচ্চতর হইয়া সৰ্ব্বত্র মুগ্রচারিত হইবে। কিছুতেই তাহার গতিরোধ করিতে পরিবে না । গ্যালিলিও কারাবাসে নিযন্ত্রিত হইল বটে, কিন্তু তদবলম্বিত সত্য মত অপ্রচারিত রহিল না। প্রমাদ বশতঃ জনগণ মনে করিয়াছিল আমরা স্থির রহিয়াছি, কিন্তু তা বলিয়া পৃথিবীর কিছুতেই গতিরোধ জন্মিলন । পৃষ্ঠীবাসিগণের বিরুদ্ধ মত সত্ত্বেও মেদিনী গ্যালিনিওর কথা প্রমাণাথই যেন স্বৰ্য্যের চতুদিকে দৈনন্দিন গতিতে ভ্রমণ করিতে লাগিল। ডেকাটে রমতাবলি যখন প্রখম প্রচারিত হয়, । |