প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৩৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


©ጫ & আর্য্যদর্শন | -r অগ্রহায়ণ ১২৮২ | সমালোচনায় প্রবৃত্ত হইলাম। কারণ দুই খানিরই উদ্দেশ্য এক এবং বিষয়ও প্রায়ই এক। কেবল নাট্রোল্লিখিত ব্যক্তিগণের নামের ও সম্বন্ধের এবং বস্তুরও কিঞ্চিং বৈষম্য দৃষ্ট হয়। প্রথম থানিতে হস্তিনার রাজা পৃথুরাজ, কানাকুজের রাজা জয়চন্দ্রের কন্যা অনঙ্গমঞ্জরীর প্রেমাকাজী। ভারতবিজয়ে পৃথ্বীরাজের সৈন্যাধ্যক্ষ প্রমথ কান্যকুজরাজ জয়চন্দ্রের কন্য ইন্দুবালার প্রেমভিখারী। এতদ্ভিন্ন অন্যান্য বিষয়েও অনেক বৈষম্য স্বত্ত্বেও এ দুয়ের মধ্যে অনেক সোসাদৃশ্য দৃষ্ট হয়। প্রথম খানিতে জয়চন্দ্রের প্রিয়পাত্র অবস্থির রাজকুমার পুষ্পকেতুও পৃথ্বী রাজের ন্যায় অনঙ্গমঞ্জরীর পাণিগ্রহণীভিলাষী। পৃথ্বীরাজের সহিত রাজা জয়চন্দ্রের চিরবিদ্বেষ ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিত৷ ছিল। এই জন্য অনঙ্গমঞ্চমীকে পৃথ্বীরাজের হস্তে সমর্পণ করা জয়চন্দ্রের কখনই ইচ্ছা ছিল না । পুষ্পকেতুকেই জামাতৃত্বে বরণ করা–তাহার অস্তরের ইচ্ছ ছিল ; কিন্তু ভঁাহার সে মনোরথ পূর্ণ হইল না। অনঙ্গমঞ্জরী পৃথুরাজের প্রতিমূৰ্ত্তি দেখিয়া ও গুণগ্রাম শ্রবণ করিয়া श्रृंशैव्राप्छाहे अश्तानौि झ्हेब्र खेि লেন—তথাপি জয়চন্দ্র চিরবিদ্বেষ-ভাজন পাত্রের হস্তে প্রাণাধিক দুহিতকে কিরূপে সমৰ্পণ করিবেন স্থির করিতে না পারিয়া १०:कठूर नश्उिहे ऊँशब दिशाश्त्र অনুষ্ঠান করিতে লাগিলেন। অনঙ্গ: ময়ী চতুদিকে অন্ধকার দেখিয়া ーキ=== কান্যকুঞ্জনিবাসিনী কামন্দকীনাম্নী কোন তপস্বিনীর শরণাপন্ন হইয়া উহাকে নিম্নোঙ্কত পত্র খানি লিখিলেনঃ “হয়ত আমায় আপলজ্জ বলিয়া কতই স্বণ করিবেন, ক্ষু করুন, আপনি ऐद আমার মনের দুঃখ প্রকাশ করিবার স্থান নাই। আমার ইষ্ট লাভের কোন আশা নাই, সে বিষয়ে আপনাকে যত্ন করিতেও অনুরোধ করি না। কেন অসাধ্য বিষয়ে অনুরোধ করিব ? কিন্তু এই উপস্থিত অনিষ্টাপাত হইতে আমায় রক্ষা করিতে হইবে। আমি নিশ্চয়ই বলিতেছি, পুষ্পকেতুর ত কথাই নাই, স্বয়ং পুষ্পকেতু আসিলেও আমি তাহাকে এই কর অর্পণ করিতে দিব না।” অনঙ্গমঞ্জরী যে বিষয় অসাধা বলিয়া মনে করিয়াছিলেন, কামন্দকী জয়চন্দ্রের বিজ্ঞতম মন্ত্রী মুমতির সাহাহো তাহা মুসাধ্য করিয়া তুলিলেন। রাজা জয়চন্দ্র পুষ্পকেতুর সহিত অনঙ্গমঞ্জরীর বিবা হের দিন স্থির করিলেন ; কিন্তু এই সময় কামন্দকীর ষড়যন্ত্রে পৃথুরাজ কান্যকুজ অবরোধ মানসে কানাকুজাভিমুখে আগমন করিতেছিলেন। সুযোগ পাইয়া সুমতি এই বলিয়া বিবাহ বিষয়ে রাজার মত পরিবর্তন করিলেন যে “মহারাজ ! এখন উৎসবের সময় নয়, সামান্য লোকেও অপমান সহ করে না, ধূলিও পদদলিত হয়ে মস্তকে পদার্পণ করে, অতএব পৃথু কান্যকুব্জ অবরোধ না করাতেই চলুন, তাকে গিয়ে আক্রমণ করা |