প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৩৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আৰ্যদর্শন। f পৌষ ১২৮২ | এবং জড়তা-আবরণ প্রবল তরঙ্গাঘাতে ভাঙ্গিয় ফেলিয়া প্রবাহিত হইতে থাকে। কিন্তু বিভ্রম বিরূপ মূৰ্ত্তিতে উত্থিত হয় না, অনুরূপ অতি সহৃদয়ভাবে উপস্থিত হয়, ভূত ভবিষ্যৎকে দূরে ভাগটিয়া দেয়, এবং মোহের দ্বারা অবশিষ্ট বর্তমান স্মৃতি দ্বার সকল রোধ করিয়া আৰু বিস্মৃতি পর্যন্ত উপস্থিত কর, এবং চেতন হয়। করিয়া নিদ্রাভিভূতের ন্যায় কোন স্বপ্ন রাজ্যে লইয়া গিয়া, কোন প্রিয়মূৰ্ত্তি আমাদিগকে দেখায়, ঐ মূৰ্ত্তি আমাদিগকে সম্ভাষণ করে, আলিঙ্গন করে, আমরা তাহার সঙ্গম মুখে একেবারে বিহ্বল হইয়া পড়ি, এবং যেমন নিদ্রাভঙ্গে স্বপ্ন মূৰ্ত্তি তিরোহিত হইয়া যায়, তেমনি কাব্য-মূৰ্ত্তি আমাদের কাল্পনিক বলিয়া বোধ হইলেও, তাছার দর্শন কেমন রমণীয়, তাহার সঙ্গম কেমন মুখাবহ, আমদের চিত্ত-ক্ষেত্র সেই সকল ভাবে অভি ষিক্ত, শিথিল, দ্রব হইয়া সাগরবৎ একাকার হইয়া যায় এবং সেই স্বপ্ন মূৰ্ত্তিকে পাইবার নিমিত্ত আমরা সকল বাধার বিপক্ষে অন্ধ ও উদ্ধত হইয়া উঠি । আমরা উদাহরণ দ্বারা দেখাইতেছি— বৃত্ৰাক্ষর কর্তৃক দেবগণ পরাভূত হই য়াছেন, অনন্ত মুখ-ধাম স্বৰ্গরাজ্যচ্যুত হইয় তাহারা ঘোর তমীচ্ছন্ন ভীষণ নরক সদৃশ পাতালপুরে লুক্কায়িত। দুঃখের অবস্থায় মন বশতপন্ন ও জড়ভাব ধারণ করিতেছে, এমন সময় মহাশূর দেব সেনাপতি স্কন্দ উঠিয়া উদ্দীপন

বাক্যে এইরূপ র্তাহাদের উত্তেজিত করি f 5:छन्ः“জাগ্রত কি দৈত্য শত্রু সুর বৃন্দ আজ ? জাগ্ৰত কি অস্বপন দৈত্যহারী দেব ? দবের সমর-কান্তি ঘুচিল কি এবে ? উঠতে সমর্থ কি হে সকলে এক্ষণ ? “হা ধিক্‌ ! श পিক্‌ দেব। অদিতি প্রস্থত! | সুর ভোগ্য স্বর্গ এবে দিতিসুত বাস । নিৰ্ম্মাদিত সুরবৃন্দ, রসাতল ধূমে, অনারত অন্ধকারে, আচ্ছন্ন, অলস ! “দুৰ্ব্বিনীত, দেব দ্বেী দনুজ-পরশে পবিত্র অমরপুরী কলঙ্কিত আজ, জ্যোতিস্থত, স্বৰ্গঢ়াত স্বর্গ অধিবাসী, দেব বৃন্দ ভ্রান্ত চিন্তু পাতাল প্রদেশে ! “দ্রস্ত কি হইলা সবে ? কি ঘোর প্রমাদ চিরসিদ্ধ দেব নাম খ্যাত চরাচরে, 'অম্বর মর্দন আখ্যা—কি হেতু সে তবে অবসন্ন আজি সবে দৈত্যের প্রতাপে ? “চির যোদ্ধা—চিরকাল যুঝি দৈত্য সহ অমর হইলা সবে নির্জয়-শরীর, আজি সে দৈত্যের ত্রাসে শঙ্কিত সকলে | আছ এ পাতালপুরে সর্বপরিহরি । “কি প্রভাপ দলুজের কি বিক্রম হেন ? ত্ৰাসিত করেছে যাহে সে বীর্য বিনাশি যে বীর্য্য প্রভাবে দেব সৰ্বরণ জয়ী শতবার দৈত্য দলে সংগ্রামে আঘাতি । “কি দেব ! ঘূণা শূন্য, অক্ষুব্ধ হৃদয়, | 45 দিন আড় এই অন্ধতম পুরে ;