প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| HE

  • >ポbペい

মেহের উহা ও ঐ মসজিদের মোল্লার দোকান। সময়ে রাস্তার ধারে পথিকমণ্ডলী এবং দুই একটা বনগামী রাখাল ও কাঠুরিয়া ভিন্ন তথায় জনাগম নাই । * একদা দিবা প্রহরেক গতে কতিপয় অপেক্ষাকৃত প্রধান এক ব্যক্তি মৃণায় গুড় গুড়িতে তামাকু টানিতে টানিতে বাকর আলি নামক ব্যক্তিকে সম্বোধন করিয়া কছিলেন “ধূঝিয়াছিস যাহা বলিতে হইবে, ভূলিস না। আর যদি এমন কথা জিজ্ঞাসা করে যাহা শিখান হইল না, বলিস মনে নাই।” বাকর কহিল “ আমি ভুলিবার পাত্র নহি,— অামায় ত বরাবর পরক করে দেখেছ ? কিন্তু যদি জমীর চৌহদীর চৌহদী জিজ্ঞাসা করে কি জবাব দিব ?” “যাহা তোর কথা খণ্ডন করে কে ?” অপর এক ব্যক্তি কহিয়া উঠিল "ও স্বাক্ষী।” “তোর জমাদার তোর কি করে দিব ভয় কি ? আর তোর জমাদারও স্বাক্ষ্য দিতে আসিবে না, তাহার উপর বেণ কানুন জারি করিয়াছি।” আর এক জন কহিল-“আমার চাচাত | { ዓ মাত্র ভগ্ন আপনি ঐ স্থানের রক্ষক ; দেশীয় মুসলমান ঝৰঝবা বটতলায় । মগুলীকৃত ভাবে উপবেশন করিয়া আগ্র- ; হের সহিত কি পরামর্শ করিতেছে । । হয় বলিস, তোকে সৰ্ব্ব শেষে গুজরাইব, ভাই মোক্তার! আমিত সব বলিব, কিন্তু । আমার জমীদার যে মৌলভির পক্ষে । করিতে পারবে ? আমি তোর লাখেরাজ । জুগলি । 88 ጓ মিথ্যা কহিবার লোক নহেন, আর তিনি স্বাক্ষ্য দিলে আমাদের সকলের ভূর ভাঙ্গিবে।" মোক্তার ভ্রমরবং দশন-পংক্তি বিকশিত করিয়া চক্ষু ও কপোলের শিরা সকল কুঞ্চিত করিয়া বিকট হাস্য হাসিলেন, পরে অল্পকেশময় দীর্ঘ পঙ্ক শ্মশ্র দন্তে দন্তে আবদ্ধ করিয়া মস্তক চালন করিয়া কহিলেন “শৰ্ম্ম আট ঘাট বেধেছেন! তাহারও উপর বেণ কানুন জারি হইয়াছে। তিনবার গত বৎসর ভাঙ্গর | ঘর জালা হইয়াছে, আর রাঙা ঘোড়া | ছুটিবার কি ভয় করিবে না ? যেই দ্বারের বেণাটী প্রাতে উঠে দেখিবে, আর আদালতে স্বাক্ষ্য দিতে সাহস করিবে না । * মোক্তারের শিক্ষা শেষ হইল ; তখন তিনি যাহাকে যাহাকে যে যে বিষয়ে । স্বাক্ষ্য দিতে হইবে, সংক্ষেপে স্মরণ করাইয়া মেহের আলি নামক এক ব্যক্তিকে নিকটে বসাইয়া বলিলেন “মেহের তোকেত হাজিরই করিব না । যদি আদালত জিদ করেন কোন এক উকীলের পোষ্ণুক পরাইয়া দিব। তুষ্ট গষ্ঠীর ভাবে বড় মানুষের নায় এই এক্ট কথা বলিবি । তুই আর বৎসর রোসাঙ্গ গিয়া টাকা রোজকার করে এনেছিস, মোবারক ও মাহামুদ আলি তোর সঙ্গী ছিল ও-জানে। সেই টাকায় নীলাম জমী কিনিবার জন্য আমাকে বলেছিলি, এবং ঐ জমীটা নীলাম সময় হাজির হয়ে