প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8 ○8 আর্ম্যদর্শন । F --TarunnoBot (আলাপ) ১৮:১১, ৩ এপ্রিল ২০১৬ (ইউটিসি) नघ S२br२ ।। ভ্রাতুষ্পুত্র ফজরআলির বিবাহ হইয়াছে বলে মিথ্যা ডিক্ৰী করে, মৌলভির মনোভঙ্গ হয়। বিদেশে যাইবার জন্য প্রস্তুত হইতেছিলেন ; সহসা এই আশ্চৰ্য্য মকদ্দমায় আপন প্রণয়িণী স্ত্রীকে হারাইলেন। আদালতের অসীম শক্তি তখন বুঝিলেন । মোক্তারের প্রতিহিংসা কত उग्नक्षत उथन छानिएलन । এমত সময় মেহের আলি হাপাইতে হাঁপাইতে আদিল ; তাহার অস্বাভাবিক ভাবে ও মুখশ্ৰী দেখে মৌলভি নিতান্ত আশঙ্কাযুক্ত হইলেন। ভাবিলেন হয়ত প্রিয় রকিমন্নিসা শত্রু-হস্তগত হইয়াছেন। হৃদয়ে শেলাঘাত লাগিল, মৃত্যু নিকট বৰ্ত্তী হইল। তথাপি সাহস পূর্বক মেছে রকে জিজ্ঞাসা করায় মেহের নীরস হাস্যে কহিয়া উঠিল, “ আর কোন ভয় নাইম। এমন স্থানে লুকাইয়াছেন,আসগরের সাধা নাই, আদালতের সাধ্য নাই তথায় যায়।” মৌলভি কিঞ্চিৎ আশা ন্বিত হইয়া কহিলেন । কোথায় লুকাইলেন ? এমন স্থান কোথায় ?” মেহের কহিল তন্মাতা ভয়ে আত্মহত্য করিয়া মোক্তারের হস্ত এড়াইয়াছেন। শুনিবা মাত্র মৌলভি নিস্তব্ধ হইলেন। অবশেষে ভগ্নস্বরে কহিলেন “ মেহের | তোমাব মাতা উত্তম করিয়াছেন বটে আমিও তথীয় চলিলাম ; কিন্তু তোমার এখনও সময় হয় নাই৷ ” বৃদ্ধ, পুত্রের জন্য অত্যন্ত কাতর হইলেন। তাহার হস্ত আপন হস্তে রাখিয়া তাহাকে শপথ করা: ষ্টয়া কছিলেন “মেহের ! আমি অবর্তমানে তুমি ভিলাৰ্দ্ধ এ দেশে থাকিও না ; কিন্তু অন্তিমকালের আমার দুইট কথা রাখিও ; (১ম) যত কেন দুঃখ ক্লেশ হউক না আত্মহত্যা করিও না (২য়) যত কেন অত্যা, চার কেহ { করুক না নরহত্যা করিও না। ঈশ্বরতোমার মঙ্গল করুন। ” পরদিবস বৃদ্ধ কালগ্রাসে নিপতিত হইলেন। পঞ্চম অধ্যায় । মেলভির ভাবী পুত্রবধু মেহেরমিস ममांशंtत दिठी ७ भौ{इट्रेप्लांtछ्न । दग्रज ষোড়শাধিক হইবে না। কৃশতা হেতু কিঞ্চিং দীর্ঘ দেখা যাইতেছে। 'অস্থিময় শরীরের উপর এক খানি হরিদ্রাবণ | . বস্ত্র দিয়া ঘেরিলে যেরূপ হয় আকারটী ८मईक्र° झई ब्रां८छ् । नांतिका, झर, कर्छl ७ পঞ্চরের অস্থি বহির্গত হইয়াছে। রৌদ্রে, গৌর বর্ণ পীত হইয়াছে এবং তৈল বিহনে কেশের অগ্রভাগ পিঙ্গলবৰ্ণ হই য়াছে । তত্ৰাচ অদ্যপি সুদীর্ঘ নয়ন দ্বয়ের কৃষ্ণ বর্ণ ও পক্ষদল ও ভ্রলতার কৃষ্ণবর্ণ ঘুচে নাই। অধরের লোহিত বর্ণ, কেশের দীর্ঘতা ; বদনের সৌন্দর্য্যও ८झरश्द्र शांशिङा नछे झग्न माई । स्रनानि গতির ভঙ্গী ও স্বরের মাধুর্যে ভয়ত৷ প্রকাশমান। দেখিলে বিলক্ষণ বোধ হয় অল্প দিনের শুশ্রষায় মেহেরুন্নিস রমণীরত্ব হইবেন। দুৰ্ব্বল হইয়া মেহের রিসার আকার স্বন্দর ছবিটার ন্যায় श्रँग्रांtछ् ।