প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৪৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


---------------ج गाँष >२५२ ।। মেহের তালি । Footer--------- قضصفضsصطضت عصصف. পুরুষ দক্ষিণ হস্তে দক্ষিণ কগোল বিন্যাস পূৰ্ব্বক বৃক্ষের এক নিম্নতর শাখায় বসিয়া কি ভাবিতেছেন। নয়নদ্বয় ঢল ঢল করিতেছে ; রোধ হয় যেন জলে ভাসিতেছে। বুক্ষতলে এক বোঝা কাষ্ঠ বুনলতায় আবদ্ধ । যুবা এদিকে ওদিকে চাহিয়া মুক্ত কণ্টে একটী সঙ্গীত আরম্ভ করিলেন। পৰ্ব্বতে পৰ্ব্বতে প্রতিধ্বনি চলিল । ' সঙ্গীত । মেহের জান, মম প্রাণ, জগতে এক ঐ । তার সনে, ভ্ৰমি বনে, মনের সুখ পাই ॥ | ধন নাই, মান নাই, বান্ধব বা কৈ। ভয় করি, পরিহরি, পলায় বা সেই ॥ মেহের জান, মম প্রাণ,জগতে এক ঐ । তার সনে, ভ্ৰমি বনে, মনে মুখ পাই ॥ ২। সঙ্গীতের ভাবে যুবা মুগ্ধ হইয়াছেন, কে কোথায় দেখেন নাই। সহসা কেহ যেন কঁহার লম্বিত পদ স্পর্শ করিল। যুব চমকিত হইয়া, নিয়ে নয়ন নিক্ষেপ করিয়া একজনকে দেখিলেন। অমনি যুবার আনন প্রফুল্ল হইল, শরীরে উৎসাহ প্রবেশিল, भर्न চাপল্য জন্মিল। কহিলেন, , "মেহেরজান কতক্ষণ ।” “নাম ডেকেছ যতক্ষণ ॥" • “আমি, আপনার নাম ডেকেছি।" “আমি আপনাপনি এসেছি।” --- বাস ছাড়া, আশ ছাড়া,সংসার-সুখ নাই ॥১ মেহের জান, মম প্রাণ ; সংসারে এক ঐ ।

              • -------------------------------------

মেহের জান কহিল 'এখন নাম' । “নামিবনা।” “কেন ?” “যে উঠাইয়াছে নামাক ?” “কে উঠাষ্টয়াছে ?” “যার জন্য উঠিয়াছি।” মেহেরজান, যুবার পা ধরিয়া টানিয়া নামাইল। যুবা হাসিতে হাসিতে নামিয়া | তৎক্ষণাৎ মেহেরজানকে ধরিয়া বৃক্ষশাখায় তুলিল। মেহের হাসিতে হাসিতে কহিল “পড়ে যাব পড়ে যাব।” “আমায় নামালে কেন ? আমিও তোমার তুলিব।’ | বৃক্ষশাখাটী অনুচ্চ ছিল এবং বিলক্ষণ প্রশস্ত ছিল । বিশেষতঃ পশ্চাতে বৃক্ষের গুড়ি ঠেস দিয়া বেশ বসা যায়। যুবা তরুণীকে তথায় বসাইয়। আপনি পাশ্বে* বসিলেন ও বৃক্ষ-কোটর হষ্টতে দুষ্ট ছড়া বন-পুষ্পমালা লইয়? একছড়া, নিজগলে | ও একছড়া কুমারীর গলে দিয়া কছিলেন, | “মেহেরজান, দেখ দেখি কেমন দেথা ইতেছে! যেন হিন্দুদের বরকন্যা।’’ ' 'কুমারী হাসিয়া বলিলেন “আমি তোমাকে বিবাহ কেন করিব ?" - “তুমি যে আমার স্থিরীকৃত কনে।” তখন যে রাজরাণী হইতাম, এখন কি কাটকুড়ানী হইতে বিবাহ করিব ?” “যদি রাজরাণী করিতে পারি ?” “কি করে?” “আমি আকাব রেঙ্গন গিয়৷ অজ্জন করিয়া তোমার জন্য ঐশ্বৰ্য্য '| আনি, যদি তুমি মন দাও, কথা দাও। “ঈস” “সত্য বলিতেছি, একবার বল, আমি যাই।” “কি বলিব ?” যে তুমি আমাকে বিবাহ কfরবে।” “আমরা ക്കും