প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৫১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


৪৯৮ আর্যাশন | | =o कांग्ल° »२४२ ঘোর বিতও হইল, অবশেষে অ্যাগামামনন স্বজোরে ব্রাইসেইস কে একিলিসের নিকট হইতে কাড়িয়া লইলেন। একিলিসের ইহাই ক্রোধের কারণ, একিলিস ক্রুদ্ধ অস্তঃকরণে নিজ সৈন্যদল পৃথক করিয়া লইয়া সাগরমধ্যে গিয়া নঙ্কর করিয়া অবস্থান করিতে লাগিলেন, এবং র্তহার জননী থেটিসের নিকট আপন দুঃখ জানাষ্টয়া তাঁহা দ্বারা জুপিটারকে উত্তেজিত করিয়া গ্রীসীয়দিগের বিপক্ষ করিয়া তুলিলেন। হেক্টরের দোর্দণ্ড প্রতাপে এই অবধি গ্রীসীয়দিগের ঘোর দুর্দশ ঘটিতে লাগিল। আমরা দেখাইলাম, স্বকীয় ইষ্টের প্রাবলো কিরূপে সাধারণ ইষ্ট ভাঙ্গিয়া যায়। এই সাধারণ ইষ্ট ভাঙ্গিয়া ইহার ফল ক্রমে ভীষণ হইতে ভীষণ মূৰ্ত্তি ধরিতে লাগিল । দেবতাদেরও মধ্যে পক্ষপাতিত্বজ্ঞান প্রবল হইয়া তাহারাও আপন আপন প্রিয় পক্ষ অবলম্বন করিয়া বিবাদে উন্মত্ত হইলেন। যুদ্ধের তরঙ্গে সাগরকৃল টলমল করিতে লাগিল। জন সাধারণের ইষ্ট অনিষ্টের সহিত তুলনায়ু, স্বকীয় ইষ্ট অনিষ্ট কত লঘু ও সামান্য তাহা আপাততঃ মানুষের বোধহয় না, মানুষের ক্ষুদ্র দৃষ্টিতে স্বকীয় ইষ্ট অনিষ্টের প্রতি আকর্ষণই বেশী ; কিন্তু যখন জনসাধারণের ইষ্ট অনিষ্টের ব্যাপকক্ষেত্র তাহাদের দৃষ্টি পথে একবার পতিত হয়, তখন স্বকীয় ইষ্ট অনিষ্টকে ছার বলিয়৷ --- -- ঘোর '

সৰ্ব্বস্বার্থের কারণ নিজের জীবন দানেও মানুষ কুষ্ঠিত হয় না। গ্রীকৃদিগের দুর্দশায় একিলিসের অন্ত:করণ কঁদিতে ছিল, উহার প্ৰিয়বন্ধু পেট্রোকদু হেক্‌ টরের হাতে জীবন তারাইলেন, তিনি cनशिालन डैशितड़े वर्कौग्न धनिष्ठेत ●लिহিংসার মিত্র এই সকল মহৎ অনিষ্ট ঘটতেছে, তাহার ক্ৰোধ দুঃখের ছায়ায় তখন ম্ৰিয়মাণ মূৰ্ত্তি ধারণ করিল। এ দিকে এগামামনন ও র্তাহার স্বার্থপরতাজনিত মহৎ অনিষ্টোৎপত্তির ফল উপলব্ধি করিয়া মৃদু ভাব ধারণ করিয়াছিলেন। অব শেষে সহজেই উভয়ের পুনঃসন্মিলন | সংসাধিত হইল। একিলিসের ক্রোধ | শাস্তি লাভ করিল। সাধারণ উদেশ্য | ञांदांत ७४५त झट्टैग़ा नैंख्ॉफ़ेल । ७ठे প্রাবল্যের ফল টোজনে অদৃষ্টের দীপ্ত দিনমণি হেক্টরের বধ । এই ঘটনার পরই কাব্যের শেষ। কবির কেবল একিলিসের | ক্রোধের উৎপত্তি ও শান্তি দেখান মাত্রই | উদ্দেশ্য, অতএব তিনি যুদ্ধের পরিণাম | দেখাইতে কাবাকে বিস্তৃত করেন নাই । মহাকাব্য এইরূপ সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রাবল্য দেখাষ্টয়া পরিসমাপ্ত হয়। ইলিয়দ মহাকাব্য ব্যক্তিগত স্বত্র অবলম্বন করিয়া উখিত হষ্টল এবং উহারই অন্তে অন্ত লাভ করিল বটে, কিন্তু উহার প্রবল স্রোত সাধারণ উদ্দেশ্য। কবি ব্যক্তিগত, ইষ্টোব্দেশ্যকে প্রবল করিয়া তাহাদ্বারা সাধারণ উদেশ্য দুই ভাগে বিভক্ত করিয়া ; বোধ হইতে থাকে, এমন কি তখন ফেলিলেন । এবং এক ভাগকে অচল