প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:আর্য্যদর্শন - দ্বিতীয় খণ্ড.pdf/৫৮৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


بينيتسي - بسی سے سیب، - চৈত্র ১২৮২। কবিত্ব ও কাব্য সমালোচন । ¢ ७१ য়েন্ধপ নাটকাভিনয়ের বাহ্যিক ব্যাপারেই | মাত্র আনন্দ লাভ করিয়া থাকেন, অর্থাৎ .যে নাটকে কাটাকাট, আঙ্কালন, প্রজ্জ্বলিত চিঙ্গর পতন, ইত্যাদির ভাগ বেশী, তাহারা সেই নাটকেই অধিক আনন্দ লাভ করিয়া থাকেন ; নাটকীয় পাত্রগণের আভ্যন্তরীণ কাৰ্য্য কলাপের সূক্ষ্ম দর্শন সকলের যে আনন্দ, পরিমাজ্জিত বুদ্ধির অভাবে তাহারা তাহা অনুভবের অধিকারী ইংলণ্ডে ও এক দিন এই দশা ছিল ; লোকে হ্যামলেং নাটকের অভিনয় অপেক্ষ, তদপেক্ষ অধিক বাহ্যাড়ম্বরবিশিষ্ট নাটকে অধিকতর আনন্দ বোধ করিত, এবং ঐন্ধপ নাটকের তৎকালে '| আদরও অধিক ছিল । ***. কাব্যের রসাঙ্গাদনের কথা এই—কা ব্যের রচনা কথাতেও আমরা বলিতে | পারি যে, বুদ্ধিবৃত্তির বৃদ্ধিতে যেরূপ, অনুভূতির বুদ্ধি, অনুভূতির বৃদ্ধিতেও । তদ্রুপ কল্পনার বৃদ্ধি ; এবং কম্পনার বৃদ্ধি হইলেই কাব্যের উৎকর্ম रुडे ईहै,ा थारू , हेडाद अविरुद्ध বৰ্ত্তমান শতাব্দির গেটে ; এই গেটে; হইতেই বর্তমান ইউরোপের সাহিত্য রাজ্য পুনৰ্ব্বার নব জীবন পাইয়াছে। মেকলে সাহেব যে বলেন বালকের ন্যায় হক্টতে পারিতেছেন না । না বা কাব্যের রসাম্বাদন করা যায় নাr ইহার আমরা তাৎপর্ব বুঝিতে পারি না ; অঙ্গ-প্রকৃতি না হইলে, কবি হওয়া যায় ক্ষাও পণ্ডিত না হইলে কবি হওয়া দুষ্কর | এবং কাব্যের রসাম্বাদন করাও দুষ্কর। মেকলে সাহেবের মত খণ্ডনের নিমিত্ত । তাহার তর্ক সকল এখানে তুলিয়া কাহার বিচার করা আমাদের এ স্থলের উপযোগী নয়,সুতরাং আমরা তাহার অধিক আলো: চনায় বিরত থাকিলাম। আমরা এ সম্বন্ধে বকল্স সাহেব যে কথা কহিয়াছেন তাহারি অনুমোদন বরি, বকলস সাহেব কহেন “মানব-অন্তর-পরিজ্ঞান ও তাহার স্বল্পতা ; দর্শনে কবিরই শ্রেষ্ঠ।” মেকুলে नाश्व যদি কতক গুলি উৎকৃষ্ট কবিকে মানবসমাজের অৰ্দ্ধ সভ্য অবস্তায় জন্মিতে দেখিয়া এই সিদ্ধান্ত করিয়া থাকেন, তবে তাহা ভ্রম ; যেহেতু কবিরা যে কোন কালেষ্ট কেন জন্ম গ্রহণ করুন না, তাহার এককালে সভ্যতা-স্থলভূ বুদ্ধি, অনুভূতি ও কল্পনার উৎকর্ষ লষ্টয়াই জন্মগ্রহণ | করেন ; এরূপ কিন্তু লোক-সংসারে অতি বিরল সভ্যতার বৃদ্ধিমন্ত্রসারে কাব্যের রগাস্বাদন ও কাব্য-স্বজনের ক্ষমতা ক্রমেই বৃদ্ধি হইবে, এ কথা স্থির। এবং আমরা আরো লিন্তে পারি, এককালে সভ্যতার চরম অবস্থায় মানুষের দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক আমোদের শেষ হইতে পারে; যেহেতু স্বইবস্তু অনন্ত হইলেও মানুষের ক্ষমতার - সীমা আছে, এবং সেই সীমাপর্যন্ত বস্তুর "দর্শন ও তত্ত্ব জানার শেষ হইলে আর তাহাতে আমোদ থাকিবে না ; তখন কল্পনার সৌন্দৰ্য দেখাই মানুষের শেষ আশ্রযু হইবে। এক্ষণে যে কাব্য দ্বারায় | বরং আমরা দেখিতেছি, পণ্ডিত ৰূপে