পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/১৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


y&\e स्त्रांशैांदळें । 8སོགས་སྣཤen། ། অত্যন্ত ঘূণা করিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন। ক্রমশঃ অসভ্যজাতিদিগের সরলতা ও অকপটতার প্রতি র্তাহার শ্রদ্ধা দিন দিন বাড়িতে লাগিল। কৰ্ম্মাটাড়ে বাস করিয়া তিনি সাঁওতাল জাতির বিশেষ পক্ষপাতী হইয়াছিলেন, এবং সর্বদাই তাহদের সরলতার প্রশংসা করিতেন ! একটা গল্প তাহার মুখে প্রায়ই শুনা যাইত। একবার একজন চতুর বাঙ্গালী সাঁওতাল পরগণায় কিছু জমী। খরিদ করিয়া কাছাকাছি পাঁচজনের জমী আত্মসাৎ করিবার চেষ্টা করিয়াছিল। তদুপলক্ষে সীমাসহরন্ধ লইয়া এক মোকদ্দমা উপস্থিত হইল। বাঙ্গালীটি অনেক প্রলোভন দেখাইয়া একজন বৃদ্ধি সাঁওতালকে আপনার পক্ষে সাক্ষ্য দিবার জন্য দাড় করাইল ; তাহাকে শিখাইয়া রাখিল যে, সে বলিবে যে অমুক শিমুল গাছ হইতে সীমানার আরম্ভ। সাঁওতাল রাজী হইল । মোকদ্দমার সময়ে যখন হাকিম জিজ্ঞাসা করিলেন, তখন সাঁওতাল প্ৰথমে মিথ্যা কথা বলিল-আমুক শিমুল গাছটা বটে ; পরীক্ষণেই আসল কথাটি আর চাপিয়া রাখিতে পারিল না ; আপনা। হইতেই বলিয়া উঠিল, “কিন্তু ঐ গাছটি বটে,” বলিয়া আর একটি গাছ দেখাইয়া দিল । বিদ্যাসাগর মহাশয় এই গল্পটি করিতেন, আর হাসিতেন ; বলিতেন, দেখি, ইহারা এখনও কেমন সাদাসিধে আছে ; সত্যটা কোনও রকমেই গোপন রাখিতে পারে না । “আমার এই পুরাতন প্রসঙ্গের মধ্যে বিদ্যাসাগর কতখানি স্থান অধিকার করিয়া আছেন, তাহা বোধ হয় বেশ হৃদয়ঙ্গম করিতে পারিতেছি ; কিন্তু যখন তিনি তঁাহার মেছোবাজার ষ্ট্রীটের ছোট একতালা বাসাবাড়ীর একটি কক্ষে বসিয়া র্তাহার স্মৃতিকথা শুনাইতেন, তখন আমার অন্তরে যে পুলক সঞ্চারিত হইত। তাহার ক্ষীণ আভাসটুকুও বোধ হয় তোমরা এখন উপলব্ধি করিতে পরিবে না। তখন আমি প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক হইয়াছি ; বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজের চাকরি • ছাড়িয়া দিয়াছেন ; আসবাববিহীন ক্ষুদ্র কক্ষটিতে কেদারায় হেলান দিয়া একখানি বহি হাতে করিয়া বিদ্যাসাগর নিবিষ্টচিত্তে পাঠ করিতেছেন ; কলেজ হইতে প্রত্যাবৰ্ত্তনকালে তাহার সহিত দেখা করিতে গেলাম ; বলিলাম ‘শদ্ভুনাথ পণ্ডিত তাহার বাড়ীতে এক ডিনার-পাটতে আমাকে নিমন্ত্ৰণ করিয়াছেন ; কিন্তু আমার ত তাহার সঙ্গে আলাপ নাই, সেখানে আমি কি করিয়া যাই ?” বিদ্যাসাগর DBBBSu DSDBDD BBD DDBD DKB DD DS BBD