পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২০৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আষাঢ়, ১৩২০ | দিল্লীর লৌহ-স্তম্ভ। لابطالا " এই তালিকায় দুইটি বিষয় লক্ষ্য করিবার আছে। প্রথমতঃ গন্ধকের পরিমাণের অল্পতা। গ্রন্থকার বলেন, ইহাতে এই প্রমাণ হয় যে, এই লৌহকারবারে অগ্নির জন্য যে ইন্ধন ব্যবহৃত হইত, তাহ অতীব বিশুদ্ধ ছিল । সম্ভবতঃ অঙ্গারের দ্বারা এই কাৰ্য্য নিম্পাদিত হইত। দ্বিতীয়তঃ, এই লৌহে LLLLLLLa0LL BB DDD SS D DDD DBDDDB BBSDBBKS DBBBD কালে এমন বিশুদ্ধ লৌহ शू कश्श्ट्रं °t७ब्र। बांघ्र, शाश८ङठ ७७ Manganese iKF Ti এই স্তম্ভের লৌহ পূর্বেও বিশ্লেষিত হইয়াছিল। ফাগুসন বলেন যে, জেনারল কানিংহাম ডাক্তার মারেকে দিয়া ভারতে একখণ্ড পরীক্ষা করাইয়াছিলেন ; অপর একখণ্ড বিলাতে School of Minesএ ডাক্তার পাসীর দ্বারা পরীক্ষিত হইয়াছিল। উভয়েই ইহা খাদলেশশূন্য বিশুদ্ধ লৌহ বলিয়া প্ৰমাণ করিয়াছিলেন। * সারা রবাটের বিশ্লেষণে যে সকল বস্তুর অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হইয়াছে, তাহা পরিমাণে এতই সামান্য যে, তদ্বারা ইহার বিশুদ্ধতার কোন शनि श्श नां छे। fifs (8 Staffordshire Iron and Steel Institute at 3, 1sts সভাপতি মিঃ আইজাক লেষ্টার উক্ত' সভার একটি অধিবেশনে সভাপতির আসন হইতে ভারতীয় লৌহ সম্বন্ধে যাহা বলিয়াছেন, তাহার অংশবিশেষ অনুবাদ করিয়া এই প্ৰবন্ধের উপসংহার করিব । তিনি বলেন,-“ভাৱতবৰ্ষ হইতেই দ্বিসহস্রাধিক বৎসর পূর্বে রাজা পুরু আলেকজাণ্ডারকে দমস্কাস লৌহের একটি দণ্ড উপঢৌকন দিয়াছিলেন ; এবং যখন প্ৰাচীন ব্রিটানরা অসভ্য বর্বরমাত্র, তখন এই ভারতেই মুদ্রা প্ৰস্তুত করণের জন্য ইস্পাতের ছাঁচ ( dies ) ব্যাবহৃত হইত। জগতের প্রাচীন ইতিহাস পৰ্যালোচনা করিলে দেখা যায় যে, ভারতবর্ষ লৌহ ও ইস্পাতের জন্য এরূপ প্ৰসিদ্ধি লাভ করিয়াছিল যে, যে সকল দেশে লৌহপিণ্ডের ( ores ) অভাব ছিল না, সে সব দেশেও ভারতীয় লৌহ রপ্তানি হইত ; আর ইহা এখন সৰ্ববাদিসম্মত যে, ভারতবর্যই পৃথিবীবিখ্যাত দমস্কস তরবারীর নিৰ্ম্মাণস্থান ছিল, যদিও সম্ভবতঃ দমস্কাসে ইহা লোকের রুচির উপযোগী ‘ফিনিস’ করিয়া দেওয়া হইত এবং তথা হইতে বহুমূল্য বিনিময়ম্বরূপ ( নানাস্থানে) প্রেরিত হইত। পাশ্চাত্য-জগৎ লৌহের ব্যবহার শিখিবার বহু শতাব্দী পূর্বে ভারতৰাসী সৰ্বোৎকৃষ্ট ইস্পাত প্ৰস্তুত করিত। গল্প * বিশ্বস্তু প্ৰমাণ অনুসারে ভারতের এই লৌহযুগ খৃষ্টপূর্ব ১৩৭০ অব্দে আরব্ধ হয়।” শ্ৰীকৃষ্ণবিহারী গুপ্ত । is Indian and Eastern Architecture.