পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আষাঢ়, ১৩২০ ৷৷ প্ৰায়শ্চিত্ত । Ş8Nტ. জগা বলিল, “তবে থাকো গো, আমি চল্লাম। আমাকে শুধু ফাসাইবার চেষ্টা।” এই বলিয়া জগা চলিয়া যাইতে উদ্যত হইল । আবার মোহিনী কঁাদিয়া ভাসাইয়া দিল। অনেক বাদানুবাদের পরে মোহিনী বলিল, “যা’ করতে হয় তুমি কর।” এই বলিয়া রাক্ষসী জগাকে रैंग्नेि cअशोशेशा ब्ाि । জগা তাহার হাতে বঁটি দিয়া বলিল “আমি কাটিব কেন ? তোর ছেলে তুই কাটি।” রহিম সেখের আর সহ্য হইল না। সে আসিয়াছিল, ভট্টাচাৰ্য্যকে সবংশে নষ্ট করিতে ; দেখিল, ভট্টাচাৰ্য-গৃহিণী পত্নী হইয়া-জননী হইয়া ধৰ্ম্মে জলাঞ্জলি দিয়া এ কি করিতেছে ! অব্যৰ্থ লক্ষ্যে রহিম হাতের দা দিয়া আঘাত করিল। জগার ছিন্ন মুণ্ড ভূতলে পড়িয়া গেল ; উষ্ণ রক্তে স্থান প্লাবিত হইয়া গেল। রহিম তীরবেগে তরুচ্ছায়ার অন্ধকারমধ্যে অদৃশ্য হইয়া ভট্টাচাৰ্য্যেয় গৃহ ত্যাগ করিল। মোহিনীও তাহাকে লক্ষা করিতে পারিল না । শিশু রক্ষা পাইল । (SR ) পরদিন প্ৰভাতে গ্রামে হুলস্থূল পড়িয়া গেল । সকলে জানিল, রামতারণ বাড়ীর মধ্যে জগা ময়রাকে দেখিয়া খুন করিয়াছেন । পুলিস আসিল । যথারীতি তদন্তে রামতারণ দোষী সাব্যস্ত হইয়া চালান গেলেন ; ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দায়রা সোপর্দ হইলেন । ( \ని ) রহিম সেখ। সেই রাত্রিতে বাড়ী ফিরিয়া একটি পুঁটুলিতে রক্তমাখা দা, গামছা, কাপড় ও দেশলাই একত্র বঁাধিয়া ছাই-গাদায় লুকাইয়া রাখিল, আর নিজে স্নান করিয়া অন্য কাপড় পরিয়া শুইয়া রহিল। তদন্তের সময় সকল ংবাদই রাখিতে লাগিল। সে কিছুই প্ৰকাশ করে নাই। (S8 ) দায়রা বসিয়া গিয়াছে। মহামহোপাধ্যায় আসামী ; তঁহার দোষ রীতিমত প্ৰমাণ হইয়া গেল। জজ জুরিকে মোকদ্দমা বুঝাইয়া দিতেছেন। আজ রামতারণের আর সে ভাব নাই ; অনবরত অশ্রুজলে তঁহার বুক ভাসিয়া যাইতেছে। তিনি নিঃশব্দে জগৎজননীর নাম লইতেছেন। এমন সময়ে প্রহরীর কথা অমান্য করিয়া রহিম সেখ বিচার-গৃহে দ্রুত