পাতা:আর্য্যাবর্ত্ত (চতুর্থ বর্ষ).pdf/২৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


R88 আর্ম্যাবৰ্ত্ত । ৪র্থ বর্ষ-৩য় সংখ্যা । প্ৰবেশ করিয়া যুক্ত করে জজকে বলিল, “খোদাবন্দ, এই ব্ৰাহ্মণ নির্দোষ ; আমার এজেহার লইয়া বিচার করিতে আজ্ঞা হউক।” এই বলিয়া রহিম সমস্ত কথাই খুলিয়া বলিল ; কিছুই লুকাইল না, কাহারও দোষ ছিপাইল না ; নিজের অভিপ্ৰায়ও লুকাইল না। এজলাসে সুচি-পতনের শব্দ পৰ্য্যন্ত শুনা যাইতে লাগিল। জজ শুনিয়া বিচার বন্ধ করিয়া পুনরায় পুলিস তদন্তের হুকুম দিলেন এবং রামতারণ ও রহিম উভয়কেই জামিনে খালাস দিলেন। তখন সর্বসমক্ষে মহামহোপাধ্যায় রহিমের কণ্ঠ আলিঙ্গন করিয়া অশ্রুজলে তাহার অঙ্গ ভাসাইয়া উপবীত হস্তে প্ৰতিজ্ঞা করিলেন, সেই দিন হইতে রহিম তাহার ভাই, আর তাহার সম্পত্তির অধিকাংশই রহিমের। সেই বিষম দুর্দিনে উভয়ে উভয়ের সন্মান পাইলেন। যে অভিমান উভয়কে এতদিন পরস্পরের অহিত কাৰ্য্যে নিযুক্ত করিয়াছিল তাহ আজি নষ্ট হইয়াছে। শান্ত চিত্তে দুই জন গ্রামে ফিরিলেন। সোমনাথের গৃহ তীর্থক্ষেত্র বলিয়া দুই জনের ধারণা হইল। সেই স্থানে তিন জনে অশ্রুজলে সিক্ত হইতে হইতে বিমল আনন্দ উপভোগ করিতে লাগিলেন । । ( S ( ) পুনরায় তদন্তে রহিম চালান গেল। দায়রার বিচারে রহিম বোকণ্ডর খালাস পাইল ! গ্রামবাসিগণ চাদা করিয়া রহিমকে স্বর্ণ পদক উপহার দিল । রামতারণ নিজের অৰ্দ্ধেক সম্পত্তি রহিমকে লিখিয়া দিলেন আর সমস্ত সম্পত্তির অছি তাহাকো করিয়া দিয়া, নিজের ছেলেকে সোমনাথের তত্ত্বাবধানে রাখিয়া কাশীবাসী হইলেন। রহিম ও সোমনাথ রামতারণাকে সম্পত্তি দান করিতে বারণ করিলে রামতারণ হাসিয়া বলিলেন, “এই আমার প্রায়শ্চিত্ত।” শ্ৰী শৈলেশনাথ মুখোপাধ্যায়। অতীত । যে দিন পড়েছে ঢলে অতীতের কোলে, °itएछ 6र्शtछ श्रनिका ७i': ; যে দিনের মধুময় স্মৃতি মনে ভাসে cन लिन कि फिलिप्स मां अभ ?